নাক বন্ধ? আরাম পেতে সহজ কিছু পরামর্শ
শীত, ধুলাবালি, ঠান্ডা লাগা বা অ্যালার্জির কারণে নাক বন্ধ হয়ে গেলে জীবনটা অনেকটা বাধা পড়ে যায়। ঠিকমতো শ্বাস নিতে না পারা, রাতে ঘুম ঘাটতি, অথবা দিনে মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা—এসব সমস্যা আমরা অনেকেই ভোগ করি। দুশ্চিন্তার কিছু নেই, কিছু সহজ ঘরোয়া ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত উপায় আছে যা দ্রুত স্বস্তি দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিচের ৮টি কৌশল নাক খোলা ও আরাম পাওয়ায় সাহায্য করে। স্যালাইন দিয়ে নাক পরিষ্কার করুন : নাকের ভেতর জমে থাকা মিউকাস, ধুলা ও অ্যালার্জেন দূর করতে স্যালাইন পানি খুব কার্যকর। নেটি পট, স্প্রে বা স্কুইজ বোতল ব্যবহার করতে পারেন। সর্বদা ফুটানো ঠান্ডা পানি বা ডিস্টিল্ড পানি ব্যবহার করুন, যাতে সংক্রমণের ঝুঁকি কম থাকে। গরম ভাপ নিন : গরম পানির ভাপ নিলে নাকের ভেতরের মিউকাস নরম হয়ে যায় এবং নাক খোলা সহজ হয়। গরম পানিতে গোসল করলেও একই সুবিধা পাওয়া যায়। চাইলে নাক বা কপালে গরম সেঁক দেওয়াও সাহায্য করে। পর্যাপ্ত পানি পান করুন : শরীর হাইড্রেটেড থাকলে মিউকাস পাতলা হয় এবং সহজে বের হয়। পানি, গরম চা বা স্যুপ নাক বন্ধের অস্বস্তি কমাতে খুবই উপকারী। ডিকনজেস্ট্যান্ট ব্যবহার করুন, সাবধান
শীত, ধুলাবালি, ঠান্ডা লাগা বা অ্যালার্জির কারণে নাক বন্ধ হয়ে গেলে জীবনটা অনেকটা বাধা পড়ে যায়। ঠিকমতো শ্বাস নিতে না পারা, রাতে ঘুম ঘাটতি, অথবা দিনে মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা—এসব সমস্যা আমরা অনেকেই ভোগ করি।
দুশ্চিন্তার কিছু নেই, কিছু সহজ ঘরোয়া ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত উপায় আছে যা দ্রুত স্বস্তি দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিচের ৮টি কৌশল নাক খোলা ও আরাম পাওয়ায় সাহায্য করে।
স্যালাইন দিয়ে নাক পরিষ্কার করুন : নাকের ভেতর জমে থাকা মিউকাস, ধুলা ও অ্যালার্জেন দূর করতে স্যালাইন পানি খুব কার্যকর। নেটি পট, স্প্রে বা স্কুইজ বোতল ব্যবহার করতে পারেন। সর্বদা ফুটানো ঠান্ডা পানি বা ডিস্টিল্ড পানি ব্যবহার করুন, যাতে সংক্রমণের ঝুঁকি কম থাকে।
গরম ভাপ নিন : গরম পানির ভাপ নিলে নাকের ভেতরের মিউকাস নরম হয়ে যায় এবং নাক খোলা সহজ হয়। গরম পানিতে গোসল করলেও একই সুবিধা পাওয়া যায়। চাইলে নাক বা কপালে গরম সেঁক দেওয়াও সাহায্য করে।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন : শরীর হাইড্রেটেড থাকলে মিউকাস পাতলা হয় এবং সহজে বের হয়। পানি, গরম চা বা স্যুপ নাক বন্ধের অস্বস্তি কমাতে খুবই উপকারী।
ডিকনজেস্ট্যান্ট ব্যবহার করুন, সাবধানে : নাকের স্প্রে বা ডিকনজেস্ট্যান্ট ওষুধ দ্রুত আরাম দেয়, কারণ এটি নাকের রক্তনালি সংকুচিত করে। তবে ৩-৫ দিনের বেশি ব্যবহার না করাই ভালো, না হলে নাক আরও বেশি বন্ধ হতে পারে। হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করুন : শীতকালে বা শুষ্ক আবহাওয়ায় হিউমিডিফায়ার ঘরের বাতাসে আর্দ্রতা যোগ করে নাকের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
ঘুমানোর সময় মাথা একটু উঁচু রাখুন : চিৎ হয়ে শুলে নাক বেশি বন্ধ লাগে। অতিরিক্ত একটি বালিশ ব্যবহার করে মাথা উঁচু রাখলে মিউকাস সহজে নিচে নেমে আসে এবং রাতে শ্বাস নেওয়া সহজ হয়।
হালকা ব্যায়াম করুন : হালকা হাঁটা বা স্ট্রেচিং নাকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস সহজ করে।
গরম ও ঠান্ডা কম্প্রেস ব্যবহার করুন : নাকের পাশে গরম বা ঠান্ডা কম্প্রেস দিলে সাইনাসে চাপ কমে এবং নাক খোলা সহজ হয়।
নাক বন্ধ হওয়া খুব অস্বস্তিকর, কিন্তু সহজ কিছু উপায়ে তা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। স্যালাইন ধোয়া, গরম ভাপ, পর্যাপ্ত পানি, হিউমিডিফায়ার ব্যবহার—এসব কৌশল শুধু আরাম দেয় না, স্বাভাবিক জীবনযাপনেও সাহায্য করে। তবে যদি নাক দীর্ঘদিন বন্ধ থাকে বা অন্য জটিলতা দেখা দেয়, ডাক্তার দেখানো জরুরি।
সূত্র: এনডিটিভি
What's Your Reaction?