নাজমুলকে পদে ফেরানো হলো, কি ভাবছেন ক্রিকেটাররা
ক্রিকেটারদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে বিসিবি অর্থ কমিটির চেয়ারম্যানের পদ হারিয়েছিলেন বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। কোয়াবের দাবির মুখে তাকে সরাতে বাধ্য হয় বিসিবি। যদিও ক্রিকেটারদের দাবি ছিল, পরিচালক পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া। তবে সেটা সম্ভব না হলেও ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনায় একদিনের বয়কটের পর বিপিএল মাঠে ফেরাতে সক্ষম হয় বিসিবি। এখন, বিপিএল শেষ হওয়ার পরদিনই বোর্ড সভায় নাজমুলকে পুরনো পদে ফেরায় বিসিবি। এতে করে ক্রিকেটাররা অবাক হয়েছেন, নিজেদের প্রতারিতও মনে করছেন। নাজমুলকে পদে ফেরানো হলো, প্রশ্ন শেষ করতে না দিয়েই নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ক্রিকেটার বলা শুরু করেন, ‘এটা বোর্ডকে জিজ্ঞাসা করেন..., তারাই তো সবার সামনে কমিটমেন্ট দিলো। আবার তারাই এখন তাকে পদে ফেরালো! এটা তারা কিভাবে করলো, বুঝতেছি না, আমরা কিভাবে বলবো আসলে?’ কোয়াবের একজন শীর্ষ কর্তা তো এটাকে প্রতারনাই বলছেন। তিনি বলেন, ‘এটা আসলে সবাই তো দেখলো, পুরো বিষয়টা কি হলো! বিপিএলের মতো টুর্নামেন্টে আমরা বাধ্য হয়েছি একদিন খেলা বয়কট করতে। দর্শকরা আমাদের ভুল বুঝেছে, আমাদের বিপক্ষে চলে গেছে। গভীর রাত পর্যন্ত আলোচনা করা হলো...। সেই লোককেই
ক্রিকেটারদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে বিসিবি অর্থ কমিটির চেয়ারম্যানের পদ হারিয়েছিলেন বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। কোয়াবের দাবির মুখে তাকে সরাতে বাধ্য হয় বিসিবি।
যদিও ক্রিকেটারদের দাবি ছিল, পরিচালক পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া। তবে সেটা সম্ভব না হলেও ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনায় একদিনের বয়কটের পর বিপিএল মাঠে ফেরাতে সক্ষম হয় বিসিবি। এখন, বিপিএল শেষ হওয়ার পরদিনই বোর্ড সভায় নাজমুলকে পুরনো পদে ফেরায় বিসিবি। এতে করে ক্রিকেটাররা অবাক হয়েছেন, নিজেদের প্রতারিতও মনে করছেন।
নাজমুলকে পদে ফেরানো হলো, প্রশ্ন শেষ করতে না দিয়েই নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ক্রিকেটার বলা শুরু করেন, ‘এটা বোর্ডকে জিজ্ঞাসা করেন..., তারাই তো সবার সামনে কমিটমেন্ট দিলো। আবার তারাই এখন তাকে পদে ফেরালো! এটা তারা কিভাবে করলো, বুঝতেছি না, আমরা কিভাবে বলবো আসলে?’
কোয়াবের একজন শীর্ষ কর্তা তো এটাকে প্রতারনাই বলছেন। তিনি বলেন, ‘এটা আসলে সবাই তো দেখলো, পুরো বিষয়টা কি হলো! বিপিএলের মতো টুর্নামেন্টে আমরা বাধ্য হয়েছি একদিন খেলা বয়কট করতে। দর্শকরা আমাদের ভুল বুঝেছে, আমাদের বিপক্ষে চলে গেছে। গভীর রাত পর্যন্ত আলোচনা করা হলো...। সেই লোককেই আবার পদে ফেরানো হলো বিপিএল শেষ হতেই! এটাকে প্রতারণাই বলে, নাকি অন্য কিছু বলে সবাই বিবেচনা করুক!’
এরপর ক্রিকেটাররা কি করবেন, আবার আন্দোলনে নামবেন নাকি বিসিবির সঙ্গে আলোচনায় বসবেন! কোয়াবের আরেকজন সদস্য বললেন, ‘আসলে ভাই ক্রিকেটারদের তো এসব এত কিছু নিয়ে চিন্তার করার সময় কই? আর সারাক্ষণ যদি এসব দাবি আন্দোলন নিয়ে পড়ে থাকতে হয়, তাহলে ক্রিকেটাররা খেলবে কখন বা অনুশীলন করবে কখন! আমরা এখনও কিছু ভাবিনি। তবে সবার সঙ্গে আলাপ করবো, সবাই যদি মনে কোনো উদ্যোগ নিতে হবে নিবো।’
এসকেডি/আইএইচএস/
What's Your Reaction?