নাজমুল প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলে মাঠে ফিরবেন ক্রিকেটাররা
বাংলাদেশ ক্রিকেটে চলমান অস্থিরতার মধ্যেই নতুন মোড় এসেছে ক্রিকেটারদের অবস্থানে। বয়কটের কারণে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরের ম্যাচ দুটি মাঠে গড়ায়নি। পরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিপিএল স্থগিতের ঘোষণা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে রাত সাড়ে ৮টার দিকে কোয়াবের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, শর্তসাপেক্ষে শুক্রবার থেকেই মাঠে ফিরতে চান ক্রিকেটাররা। সেজন্য এম নাজমুল ইসলামকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। সেইসঙ্গে তাকে অপসারণের প্রক্রিয়া চলমান রাখার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা। কোয়াবের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে তারা তাদের আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে নারী জাতীয় দল নেপালে বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব খেলছে, সামনে ছেলেদের জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিশ্বকাপ চলমান। সব ধরনের খেলা বন্ধ হয়ে গেলে এসব দলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিজ্ঞপ্তিতে বিপিএলকেও বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি টুর্নামেন্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তাদের মতে, দেশের ক্রিকেটের সামগ্রিক স্বার্থ রক্ষায়
বাংলাদেশ ক্রিকেটে চলমান অস্থিরতার মধ্যেই নতুন মোড় এসেছে ক্রিকেটারদের অবস্থানে। বয়কটের কারণে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরের ম্যাচ দুটি মাঠে গড়ায়নি। পরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিপিএল স্থগিতের ঘোষণা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
তবে রাত সাড়ে ৮টার দিকে কোয়াবের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, শর্তসাপেক্ষে শুক্রবার থেকেই মাঠে ফিরতে চান ক্রিকেটাররা। সেজন্য এম নাজমুল ইসলামকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। সেইসঙ্গে তাকে অপসারণের প্রক্রিয়া চলমান রাখার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।
কোয়াবের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে তারা তাদের আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে নারী জাতীয় দল নেপালে বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব খেলছে, সামনে ছেলেদের জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিশ্বকাপ চলমান। সব ধরনের খেলা বন্ধ হয়ে গেলে এসব দলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে বিপিএলকেও বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি টুর্নামেন্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তাদের মতে, দেশের ক্রিকেটের সামগ্রিক স্বার্থ রক্ষায় আগের কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে বিসিবির পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ক্রিকেটাররা। তবে তার পরিচালক পদ নিয়ে চলমান প্রক্রিয়ার জন্য বিসিবি যে সময় চেয়েছে, সেই সময় দিতে প্রস্তুত বলেও জানানো হয়। একই সঙ্গে আশা প্রকাশ করা হয়, পুরো প্রক্রিয়াটি যেন যথাযথভাবে চলমান থাকে। পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম প্রকাশ্যে ক্রিকেটারদের নিয়ে যে অপমানজনক মন্তব্য করেছেন, সে বিষয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রত্যাশা করছেন তারা।
ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকে বিসিবিকে জানানো হয়েছে, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া হলে এবং পরিচালকের পদ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া চলমান থাকলে তারা শুক্রবার থেকেই খেলায় ফিরতে প্রস্তুত। তবে শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়ায় ভক্ত-অনুরাগীদের সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।
What's Your Reaction?