নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে প্রাণ গেল ভাই-বোনের
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে নানা বাড়ির পুকুরের পানিতে ডুবে দুই ভাই-বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার কাজিরহাট থানার আন্ধারমানিক ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হারুন ব্যাপারীর বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুরা হলো, মো. ছাহাদ হোসেন (৫) ও তার ছোট বোন ছাফিয়া আক্তার (৩)। তারা হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া গ্রামের সৌদিপ্রবাসী ছাইদুল হাওলাদারের সন্তান।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বাবা প্রবাসে থাকায় মা তার দুই সন্তানকে নিয়ে আন্ধারমানিক ইউনিয়নে বাবার বাড়িতে থাকতেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে সন্তানদের খাইয়ে দিয়ে মা ঘরে খাবার খেতে বসেন। ওই সময় ছাহাদ ও ছাফিয়া বাড়ির আঙিনায় খেলা করছিল। কিছুক্ষণ পর তাদের দেখতে না পেয়ে স্বজনরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
একপর্যায়ে বাড়ির পেছনের পুকুরে ছাফিয়ার মরদেহ ভেসে উঠতে দেখেন স্বজনরা। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে পুকুরের তলদেশ থেকে ভাই ছাহাদকেও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। দ্রুত তাদের মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরাফাত জাহান চৌধুরী জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে নানা বাড়ির পুকুরের পানিতে ডুবে দুই ভাই-বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার কাজিরহাট থানার আন্ধারমানিক ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হারুন ব্যাপারীর বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুরা হলো, মো. ছাহাদ হোসেন (৫) ও তার ছোট বোন ছাফিয়া আক্তার (৩)। তারা হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া গ্রামের সৌদিপ্রবাসী ছাইদুল হাওলাদারের সন্তান।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বাবা প্রবাসে থাকায় মা তার দুই সন্তানকে নিয়ে আন্ধারমানিক ইউনিয়নে বাবার বাড়িতে থাকতেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে সন্তানদের খাইয়ে দিয়ে মা ঘরে খাবার খেতে বসেন। ওই সময় ছাহাদ ও ছাফিয়া বাড়ির আঙিনায় খেলা করছিল। কিছুক্ষণ পর তাদের দেখতে না পেয়ে স্বজনরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
একপর্যায়ে বাড়ির পেছনের পুকুরে ছাফিয়ার মরদেহ ভেসে উঠতে দেখেন স্বজনরা। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে পুকুরের তলদেশ থেকে ভাই ছাহাদকেও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। দ্রুত তাদের মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরাফাত জাহান চৌধুরী জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুই শিশুর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একইসঙ্গে দুই সন্তানের অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।