নানা সীমাবদ্ধতায় ধুঁকছে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল 

নানা সীমাবদ্ধতায় সেবার মান ব্যাহত হচ্ছে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে। এতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। হাসপাতালের অবকাঠামোগত সমস্যা ও প্রয়োজনীয় সুবিধার অভাবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সেবা প্রত্যাশীরা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) হাসপাতাল চত্বর ঘুরে সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও জরাজীর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেও এসব সমস্যার সত্যতা পাওয়া যায়। জানা গেছে, হাসপাতালের ওয়ার্ড ভবনটি ২০০৬ সালে নির্মিত হলেও এখনো লিফট চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের এক তলা থেকে অন্য তলায় নিতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এছাড়া হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে কোনো টয়লেট নেই। বিভাগটিতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা থাকলেও অধিকাংশই অচল। হাসপাতালের মর্গটিও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেখানে মরদেহ সংরক্ষণের জন্য আধুনিক রেফ্রিজারেটরের ব্যবস্থা নেই। রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে আনসার সদস্যরা থাকলেও তাদের জন্য কোনো ব্যারাক নেই। রান্নাঘরে কিচেন হুডের ব্যবস্থা নেই। অপারেশন থিয়েটারের এসি অচ

নানা সীমাবদ্ধতায় ধুঁকছে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল 

নানা সীমাবদ্ধতায় সেবার মান ব্যাহত হচ্ছে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে। এতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। হাসপাতালের অবকাঠামোগত সমস্যা ও প্রয়োজনীয় সুবিধার অভাবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সেবা প্রত্যাশীরা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) হাসপাতাল চত্বর ঘুরে সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও জরাজীর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেও এসব সমস্যার সত্যতা পাওয়া যায়।

জানা গেছে, হাসপাতালের ওয়ার্ড ভবনটি ২০০৬ সালে নির্মিত হলেও এখনো লিফট চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের এক তলা থেকে অন্য তলায় নিতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এছাড়া হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে কোনো টয়লেট নেই। বিভাগটিতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা থাকলেও অধিকাংশই অচল। হাসপাতালের মর্গটিও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেখানে মরদেহ সংরক্ষণের জন্য আধুনিক রেফ্রিজারেটরের ব্যবস্থা নেই।

রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে আনসার সদস্যরা থাকলেও তাদের জন্য কোনো ব্যারাক নেই। রান্নাঘরে কিচেন হুডের ব্যবস্থা নেই। অপারেশন থিয়েটারের এসি অচল। পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও ড্রেনের পাশে হাঁটার জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হয়নি। হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনারও আধুনিক কোনো প্ল্যান্ট নেই।

এছাড়া হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ছে, টাইলস ভেঙে গেছে এবং সিঁড়ির রেলিংও জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রেও হয়রানির অভিযোগ করেছেন রোগী ও স্বজনরা।

এসব বিষয়ে কথা হলে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘চাঁদপুর জেলার আট উপজেলার প্রায় ২৮ লাখ মানুষের একমাত্র রেফারেল হাসপাতাল এটি। এছাড়া যোগাযোগ সুবিধার কারণে পার্শ্ববর্তী লক্ষ্মীপুর ও শরীয়তপুর জেলার অনেক রোগীও এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন এবং রোগীদের প্রত্যাশা পূরণে প্রয়োজনীয় নির্মাণ, সংস্কার ও মেরামতের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow