নারী-পুরুষের বৈষম্য কমিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার : মঈন খান
দেশের সার্বিক উন্নয়নে সরকার নারী ও পুরুষের বৈষম্য কমিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। সোমবার (৮ জুন) রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে ‘নেতৃত্ব ও প্রশাসনে নারী’ শীর্ষক এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। মঈন খান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও উৎপাদনশীল খাতগুলোতে নারীদের অংশগ্রহণ দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও তাদের অধিকার ও নেতৃত্বের সুযোগ আরো সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে। সমাজের প্রত্যেক ক্ষেত্রে পুরুষের পাশাপাশি নারী নেতৃত্বের বিকশিত হওয়া দরকার। নারী নেতৃত্ব বিকাশ ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বিএনপি সরকার সব সময় ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ের নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত লাখো নারী দেশের রপ্তানি আয় ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন। মঈন খান বলেন, প্রায় ৪০ লাখ নারী গার্মেন্টস খাতে কাজ করছেন, যা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। তবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এত বড় অবদান থাকা সত্ত্বেও নারীরা এখনো বিভি
দেশের সার্বিক উন্নয়নে সরকার নারী ও পুরুষের বৈষম্য কমিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।
সোমবার (৮ জুন) রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে ‘নেতৃত্ব ও প্রশাসনে নারী’ শীর্ষক এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
মঈন খান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও উৎপাদনশীল খাতগুলোতে নারীদের অংশগ্রহণ দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও তাদের অধিকার ও নেতৃত্বের সুযোগ আরো সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে। সমাজের প্রত্যেক ক্ষেত্রে পুরুষের পাশাপাশি নারী নেতৃত্বের বিকশিত হওয়া দরকার। নারী নেতৃত্ব বিকাশ ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বিএনপি সরকার সব সময় ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ের নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত লাখো নারী দেশের রপ্তানি আয় ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন।
মঈন খান বলেন, প্রায় ৪০ লাখ নারী গার্মেন্টস খাতে কাজ করছেন, যা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। তবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এত বড় অবদান থাকা সত্ত্বেও নারীরা এখনো বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এ সম্মেলনে নারী নেতৃত্ব বিকাশ, প্রশাসনে অংশগ্রহণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বক্তারা বলেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ও কার্যকর নেতৃত্ব গড়ে তুলতে নারী-পুরুষের অংশীদারিত্বভিত্তিক সহযোগিতা অপরিহার্য। কর্মক্ষেত্র, প্রশাসন ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়া আরো গতিশীল হবে।
What's Your Reaction?