নালিতাবাড়ীতে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় কৃষকের মৃত্যু
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে মনোষ কুমার হাজং (৫০) নামে এক কৃষককে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে গেছে এক অজ্ঞাত ভারী যানবাহন। এর কিছু সময় পর ঘটনাস্থল থেকে ওই কৃষকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। মঙ্গলবার সকালে তার সৎকার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের সীমান্ত সড়কের দাওধারা উঁচা টিলা এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মনোষ হাজং দাওধারা এলাকার বাসিন্দা।স্থানীয় সূত্র জানায়, মনোষ কুমার হাজং সন্ধ্যা ছয়টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে বেরিয়ে সীমান্ত সড়কের দাওধারা উঁচা টিলা এলাকার দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় এক অজ্ঞাত বেপরোয়া ভারী যানবাহন তাকে চাপা দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। তবে এখন পর্যন্ত কেউ ওই যানবাহনটি শনাক্ত করতে পারেননি। এর কিছু সময় পর পথচারীরা ওই রাস্তায় মনোষের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে নালিতাবাড়ী হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।বিষয়টি নিশ্চিত করে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জানান, ধারণা করা হচ্ছে কোনো এক ট্রাক বা লড়ি (মাহিন্দ্রা ট্রাক্টর) তাকে চাপা দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত চল
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে মনোষ কুমার হাজং (৫০) নামে এক কৃষককে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে গেছে এক অজ্ঞাত ভারী যানবাহন। এর কিছু সময় পর ঘটনাস্থল থেকে ওই কৃষকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। মঙ্গলবার সকালে তার সৎকার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের সীমান্ত সড়কের দাওধারা উঁচা টিলা এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মনোষ হাজং দাওধারা এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মনোষ কুমার হাজং সন্ধ্যা ছয়টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে বেরিয়ে সীমান্ত সড়কের দাওধারা উঁচা টিলা এলাকার দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় এক অজ্ঞাত বেপরোয়া ভারী যানবাহন তাকে চাপা দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। তবে এখন পর্যন্ত কেউ ওই যানবাহনটি শনাক্ত করতে পারেননি। এর কিছু সময় পর পথচারীরা ওই রাস্তায় মনোষের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে নালিতাবাড়ী হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জানান, ধারণা করা হচ্ছে কোনো এক ট্রাক বা লড়ি (মাহিন্দ্রা ট্রাক্টর) তাকে চাপা দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত চলে গেছে। তবে এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার আপত্তি না থাকায় এ নিয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
What's Your Reaction?