নাসিম শাহ ইস্যুর পর ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতিতে পিসিবি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত পোস্টের ঘটনায় কঠোর অবস্থানে গেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। জাতীয় দলের পেসার নাসিম শাহ-এর ঘটনার পর বোর্ড ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি গ্রহণ করেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমসূত্রে জানা গেছে, এখন থেকে কেন্দ্রীয় চুক্তিভুক্ত কোনো ক্রিকেটার পিসিবির অনুমতি ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো পোস্ট করতে পারবেন না। এ বিষয়ে বোর্ডের মিডিয়া বিভাগের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া খেলোয়াড়দের চুক্তির সব শর্ত, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই নির্দেশনা তাদের ম্যানেজারদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। পিসিবি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, রাজনৈতিক কোনো পোস্ট কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য হবে না। কোনো ক্রিকেটার এ ধরনের নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে বড় অঙ্কের জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে। সম্প্রতি পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নেওয়াজকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত পোস্ট করায় নাসিম শাহকে ২ কোটি পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করা হয়। পিসিবির তদন্তে দেখা যায়, তিন সদস্যের শৃঙ্খলা কমিটির শুনানির পর তিনি কেন্দ্রীয় চুক্
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত পোস্টের ঘটনায় কঠোর অবস্থানে গেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। জাতীয় দলের পেসার নাসিম শাহ-এর ঘটনার পর বোর্ড ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি গ্রহণ করেছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমসূত্রে জানা গেছে, এখন থেকে কেন্দ্রীয় চুক্তিভুক্ত কোনো ক্রিকেটার পিসিবির অনুমতি ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো পোস্ট করতে পারবেন না। এ বিষয়ে বোর্ডের মিডিয়া বিভাগের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এছাড়া খেলোয়াড়দের চুক্তির সব শর্ত, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই নির্দেশনা তাদের ম্যানেজারদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
পিসিবি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, রাজনৈতিক কোনো পোস্ট কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য হবে না। কোনো ক্রিকেটার এ ধরনের নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে বড় অঙ্কের জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে।
সম্প্রতি পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নেওয়াজকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত পোস্ট করায় নাসিম শাহকে ২ কোটি পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করা হয়।
পিসিবির তদন্তে দেখা যায়, তিন সদস্যের শৃঙ্খলা কমিটির শুনানির পর তিনি কেন্দ্রীয় চুক্তির একাধিক ধারা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নীতিমালা লঙ্ঘন করেছেন।
যদিও নাসিম শাহ পরে নিঃশর্ত ক্ষমা চান এবং তার সোশ্যাল মিডিয়া উপদেষ্টার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন, তবুও জরিমানা থেকে রেহাই পাননি।
ঘটনার সূত্রপাত হয় পাকিস্তান সুপার লিগ-এর ১১তম আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে মরিয়ম নেওয়াজকে নিয়ে একটি পোস্ট তার এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত হলে তা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।
পরে নাসিম শাহ দাবি করেন, তার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল। তবে তদন্ত শেষে তাকে শাস্তি দেয় পিসিবি।
এই ঘটনার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে ক্রিকেটারদের জন্য কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে পিসিবি।
What's Your Reaction?