নাসিরুদ্দিনকে কঙ্গনার কটাক্ষ, ‘শেয়াল হওয়ার চেয়ে কুকুর হওয়া ভালো’

ভারতের ঝাড়খণ্ডে শিক্ষার্থী ও সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন নিয়ে অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ নীরব, এমন দাবি করে তাকে কটাক্ষ করেছেন অভিনেত্রী ও বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। নসীরুদ্দীনের পুরোনো একটি মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন কঙ্গনা। এর আগে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিবাদের সময় তারকারা কেন নীরব থাকেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন নাসিরুদ্দিন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, তারকারা তখনই কথা বলবেন, যখন তাদের বিবেক তাদের কথা বলতে বলবে। সেই প্রসঙ্গে নাসিরুদ্দিন একটি প্রবাদও উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, মুখে হাড় থাকলে কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে পারে না। হাড়টি মুখ থেকে পড়ে গেলে কিংবা দাঁত ভেঙে গেলে সে ঘেউ ঘেউ করতে পারে। নাসিরুদ্দিনের সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গেই মঙ্গলবার তাকে কটাক্ষ করেন কঙ্গনা। তার দাবি, প্রত্যেক মানুষই কোনো না কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতি অনুগত। তবে তিনি যে দেশের অন্ন খান, সেই দেশের পাশে দাঁড়ানো এবং দেশের জন্য লড়াই করাকে গর্বের বিষয় বলে মনে করেন কঙ্গনা। আরও পড়ুন শাহরুখের সামনে গেলেই কেন নার্ভাস হন নেহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাসির

নাসিরুদ্দিনকে কঙ্গনার কটাক্ষ, ‘শেয়াল হওয়ার চেয়ে কুকুর হওয়া ভালো’

ভারতের ঝাড়খণ্ডে শিক্ষার্থী ও সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন নিয়ে অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ নীরব, এমন দাবি করে তাকে কটাক্ষ করেছেন অভিনেত্রী ও বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। নসীরুদ্দীনের পুরোনো একটি মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন কঙ্গনা।

এর আগে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিবাদের সময় তারকারা কেন নীরব থাকেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন নাসিরুদ্দিন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, তারকারা তখনই কথা বলবেন, যখন তাদের বিবেক তাদের কথা বলতে বলবে।

সেই প্রসঙ্গে নাসিরুদ্দিন একটি প্রবাদও উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, মুখে হাড় থাকলে কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে পারে না। হাড়টি মুখ থেকে পড়ে গেলে কিংবা দাঁত ভেঙে গেলে সে ঘেউ ঘেউ করতে পারে।

নাসিরুদ্দিনের সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গেই মঙ্গলবার তাকে কটাক্ষ করেন কঙ্গনা। তার দাবি, প্রত্যেক মানুষই কোনো না কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতি অনুগত। তবে তিনি যে দেশের অন্ন খান, সেই দেশের পাশে দাঁড়ানো এবং দেশের জন্য লড়াই করাকে গর্বের বিষয় বলে মনে করেন কঙ্গনা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাসিরুদ্দিনকে উদ্দেশ করে কঙ্গনা লেখেন, ‘নাসির সাহেব তো এই দেশের, কিন্তু লড়েন প্রতিবেশী দেশের জন্য।’ নাসিরুদ্দিনের ‘কুকুর’ মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে কঙ্গনা আরও লেখেন, ‘আজকের দিনে মানুষকে কুকুর বলা বরং প্রশংসার। কারণ আনুগত্য ও সারল্য খুবই বিরল। নাসিরুদ্দিনের মতো শেয়াল হওয়ার চেয়ে কুকুর হওয়াই ভালো।’

এদিকে ঝাড়খণ্ডে শিক্ষার্থী ও সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়েছে গত ২৫ জুলাই। নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে শত শত শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থী রাস্তায় নেমেছেন। বিভিন্ন দাবি জানিয়ে তারা বিক্ষোভ করছেন।

এই আন্দোলনের প্রসঙ্গেই নাসিরুদ্দিনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কঙ্গনা। তার বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে নাসিরুদ্দিন এখন পর্যন্ত কঙ্গনার এই বক্তব্যের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কি না, তা জানা যায়নি। এর আগেও বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে দুই অভিনেতার অবস্থান ভিন্ন হতে দেখা গেছে। এবার নাসিরুদ্দিনের পুরোনো মন্তব্যকে সামনে এনে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিলেন কঙ্গনা।

এমএমএফ/আরএমডি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow