নিকেতনে জমি নিয়ে অপপ্রচার, রাজউক জানাল আসল তথ্য
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢাকার গুলশান নিকেতনের একটি জমিকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) জানিয়েছে, জমিটি সম্পূর্ণভাবে তাদের অধিগ্রহণ ও মালিকানায় রয়েছে এবং সম্প্রতি সেখানে জনস্বার্থে মহিলা ও শিশুদের জন্য ‘রাজউক নিকেতন লেডিস পার্ক’ স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজউকের এস্টেট ও ভূমি-১-এর সহকারী পরিচালক মো. আশরাফ আলী ও কানুনগো মো. ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) জনৈক ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত দখলদায়িত্ব’ শিরোনামে পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রেজোয়ানা হাসান ও রাজউকের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম মিলে রাজধানীর গুলশান নিকেতনে ৪২ দশমিক ২৭ (সাড়ে ২৫ কাঠা) জমি দখলের পাঁয়তারা করছে মর্মে একটি তথ্য প্রচার করে। তথ্যটি সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এ বিষয়ে প্রকৃত জানিয়ে রাজউক বলেছে, সাবেক তেজকুনিপাড়া হালে তেজগাঁও শি/এ মৌজার সিএস ৫৬৫ নম্বর দাগে মোট জমির পরিমাণ ৮৪ দশমিক শুন্য ৯ একর। ওই সম্পত্তির মধ্যে এ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢাকার গুলশান নিকেতনের একটি জমিকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) জানিয়েছে, জমিটি সম্পূর্ণভাবে তাদের অধিগ্রহণ ও মালিকানায় রয়েছে এবং সম্প্রতি সেখানে জনস্বার্থে মহিলা ও শিশুদের জন্য ‘রাজউক নিকেতন লেডিস পার্ক’ স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজউকের এস্টেট ও ভূমি-১-এর সহকারী পরিচালক মো. আশরাফ আলী ও কানুনগো মো. ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) জনৈক ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত দখলদায়িত্ব’ শিরোনামে পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রেজোয়ানা হাসান ও রাজউকের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম মিলে রাজধানীর গুলশান নিকেতনে ৪২ দশমিক ২৭ (সাড়ে ২৫ কাঠা) জমি দখলের পাঁয়তারা করছে মর্মে একটি তথ্য প্রচার করে। তথ্যটি সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এ বিষয়ে প্রকৃত জানিয়ে রাজউক বলেছে, সাবেক তেজকুনিপাড়া হালে তেজগাঁও শি/এ মৌজার সিএস ৫৬৫ নম্বর দাগে মোট জমির পরিমাণ ৮৪ দশমিক শুন্য ৯ একর। ওই সম্পত্তির মধ্যে এলএ কেস নম্বর ৫৫/১৯৫৮-৫৯, ১৩/২০০৭-০৮, ০২/২০০৯-১০ মূলে যথাক্রমে ২ দশমিক ৪৫৯৮ একর, ৬ দশমিক ০২২৬ একর ও ৭১ দশমিক ৯৫৭০ একরসহ মোট ৮০ দশমিক ৪ হাজার ৩৯৪ একর রাজউকের অনুকূলে অধিগ্রহণপূর্বক গেজেট প্রকাশ করা হয়। এছাড়া, ঢাকা ওয়াসার অনুকূলে এল কেস নম্বর ৩১/১৯৯১-৯২ মূলে ওই দাগে অবশিষ্ট ৩ দশমিক ৬৫০৭ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়; যা পরবর্তী হাতিরঝিল প্রকল্পভূক্ত হয়।
রাজউক আরও বলেছে, ওই সম্পত্তি অধিগ্রহণের পর হতে আজ পর্যন্ত নিরঙ্কুশভাবে রাজউকের মালিকানা ও দখলে রয়েছে। সম্প্রতি ওই সম্পত্তির অংশ বিশেষে (২৭ কাঠা) জনস্বার্থে মহিলা ও শিশুদের বিনোদনের জন্য ‘রাজউক নিকেতন লেডিস পার্ক’ নামে একটি পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে; যা বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন।