নিখোঁজের একদিন পর পতিত জমিতে মিলল বৃদ্ধার মরদেহ
কুমিল্লার হোমনা উপজেলা সদরে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর পেয়ারা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের একটি পতিত জমি থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত পেয়ারা বেগম উপজেলার মিরশ্বীকারী গ্রামের বাসিন্দা মো. জানু মিয়ার স্ত্রী। বৃদ্ধা পেয়ারা বেগমের মেজো মেয়ের স্বামী মো. মোজাম্মেল বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে পেয়ারা বেগম ব্রেন স্ট্রোকে (মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ) আক্রান্ত হন। এরপর থেকেই তিনি মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন এবং প্রায়ই কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, গত মঙ্গলবার (২ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে পেয়ারা বেগম সবার অজান্তে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর রাতে তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। স্বজনরা রাতভর সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন দক্ষিণপাড়া গ্রামীণফোন টাওয়ারের পাশে জহির মিয়ার বাগানবাড়ির পশ্চিম পাশের একটি পতিত জমিতে এক বৃদ্ধার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে হোমনা থানা
কুমিল্লার হোমনা উপজেলা সদরে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর পেয়ারা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের একটি পতিত জমি থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মৃত পেয়ারা বেগম উপজেলার মিরশ্বীকারী গ্রামের বাসিন্দা মো. জানু মিয়ার স্ত্রী।
বৃদ্ধা পেয়ারা বেগমের মেজো মেয়ের স্বামী মো. মোজাম্মেল বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে পেয়ারা বেগম ব্রেন স্ট্রোকে (মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ) আক্রান্ত হন। এরপর থেকেই তিনি মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন এবং প্রায়ই কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত মঙ্গলবার (২ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে পেয়ারা বেগম সবার অজান্তে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর রাতে তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। স্বজনরা রাতভর সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন দক্ষিণপাড়া গ্রামীণফোন টাওয়ারের পাশে জহির মিয়ার বাগানবাড়ির পশ্চিম পাশের একটি পতিত জমিতে এক বৃদ্ধার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে হোমনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং স্বজনরা এসে পেয়ারা বেগমের পরিচয় নিশ্চিত করেন।
হোমনা থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হতে পারে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
What's Your Reaction?