নিখোঁজ তাবাসসুমের মরদেহ মিলল সেপটিক ট্যাংকে
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর তাবাসসুম নামের চার বছর বয়সী এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত তাবাসসুম মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা এলাকার নজরুল ইসলামের মেয়ে। তার পরিবার কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজার এলাকার বাদেডিহি গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাবাসসুমের বাবা নজরুল হোসেন স্থানীয় একটি দর্জির দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন এবং মা হালিমা খাতুন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার পর থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। বৃহস্পতিবার সকালে বাদুরগাছা গ্রামের এক কৃষক মাঠে যাওয়ার সময় আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে ভরাট হয়ে থাকা একটি সেপটিক ট্যাংকে রক্ত মাখা বস্তা দেখতে পান। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তিনি পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তা খুলে শিশুটির মরদেহ দেখতে পায়। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাই
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর তাবাসসুম নামের চার বছর বয়সী এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত তাবাসসুম মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা এলাকার নজরুল ইসলামের মেয়ে। তার পরিবার কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজার এলাকার বাদেডিহি গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাবাসসুমের বাবা নজরুল হোসেন স্থানীয় একটি দর্জির দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন এবং মা হালিমা খাতুন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার পর থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
বৃহস্পতিবার সকালে বাদুরগাছা গ্রামের এক কৃষক মাঠে যাওয়ার সময় আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে ভরাট হয়ে থাকা একটি সেপটিক ট্যাংকে রক্ত মাখা বস্তা দেখতে পান। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তিনি পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তা খুলে শিশুটির মরদেহ দেখতে পায়। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে হত্যা করে বস্তায় ভরে পুরোনো সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
What's Your Reaction?