নিখোঁজ নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
বাগেরহাটে নিখোঁজের ৬ দিন পরে ডোবা থেকে গীতা রানী দাস নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে শহরের দাসপাড়া মোড় এলাকার ওই বৃদ্ধার নিজ বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে ওই নারী নিখোঁজ ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রতিবেশী এক নারী দুপুরের দিকে ডোবা থেকে শাক তুলতে গিয়ে লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশ খবর দেয়। খবর পেয়ে বাগেরহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে।
ওই নারীর ছেলে দুর্জয় দাস বলেন, আমার মা দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন, হঠাৎ করে বিভিন্ন সময়ে হাউসে, পুকুরে পড়ে যেত। গত বুধবার সন্ধার পর থেকে তাকে আর খুজে পাওয়া যায়নি। পরে আমরা অনেক খুঁজেছি মাইকিং করেছি থানায় সাধারণ ডায়রিও করা হয়েছিল।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান বলেন, পরিবারের তথ্য মতে আমরা জানতে পেরেছি তিনি মানসিক অসুস্থ বা মিরগি রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্তের পরে জানা যাবে মৃত
বাগেরহাটে নিখোঁজের ৬ দিন পরে ডোবা থেকে গীতা রানী দাস নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে শহরের দাসপাড়া মোড় এলাকার ওই বৃদ্ধার নিজ বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে ওই নারী নিখোঁজ ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রতিবেশী এক নারী দুপুরের দিকে ডোবা থেকে শাক তুলতে গিয়ে লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশ খবর দেয়। খবর পেয়ে বাগেরহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে।
ওই নারীর ছেলে দুর্জয় দাস বলেন, আমার মা দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন, হঠাৎ করে বিভিন্ন সময়ে হাউসে, পুকুরে পড়ে যেত। গত বুধবার সন্ধার পর থেকে তাকে আর খুজে পাওয়া যায়নি। পরে আমরা অনেক খুঁজেছি মাইকিং করেছি থানায় সাধারণ ডায়রিও করা হয়েছিল।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান বলেন, পরিবারের তথ্য মতে আমরা জানতে পেরেছি তিনি মানসিক অসুস্থ বা মিরগি রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্তের পরে জানা যাবে মৃত্যুর কারণ।