নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিলল ভুট্টা ক্ষেতে
টাঙ্গাইলের মধুপুরে নিখোঁজের একদিন পর ফাতেমা নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের ভবানীটেকীর নেংড়াবাজার এলাকার নিজ বাড়ির পাশের একটি ভুট্টা ক্ষেতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ফাতেমা (৫) নেংড়াবাজার এলাকার বাসিন্দা মো. আবু সামার মেয়ে। সে স্থানীয় মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার আসর নামাজের পর থেকে ফাতেমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও তার নিখোঁজের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টা ক্ষেতে স্থানীয়রা ঘাস কাটতে গেলে মরদেহ দেখতে পায়। পুলিশে খবর দিলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের মামা জনি খান বলেন, ফাতেমার কানে স্বর্ণের গহনা ও গলায় একটি রুপার মালা ছিল, যা মরদেহ উদ্ধারের সময় পাওয়া যায়নি। কোনো দুর্বৃত্ত আমার ভাগনিকে প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে গহনা ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করে ভুট্টা ক্ষেতে ফেলে রেখে গেছে। মধুপুর থানার ওসি একেএম ফজলুল হক বলেন, ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহা
টাঙ্গাইলের মধুপুরে নিখোঁজের একদিন পর ফাতেমা নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের ভবানীটেকীর নেংড়াবাজার এলাকার নিজ বাড়ির পাশের একটি ভুট্টা ক্ষেতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ফাতেমা (৫) নেংড়াবাজার এলাকার বাসিন্দা মো. আবু সামার মেয়ে। সে স্থানীয় মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার আসর নামাজের পর থেকে ফাতেমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও তার নিখোঁজের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।
রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টা ক্ষেতে স্থানীয়রা ঘাস কাটতে গেলে মরদেহ দেখতে পায়। পুলিশে খবর দিলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের মামা জনি খান বলেন, ফাতেমার কানে স্বর্ণের গহনা ও গলায় একটি রুপার মালা ছিল, যা মরদেহ উদ্ধারের সময় পাওয়া যায়নি। কোনো দুর্বৃত্ত আমার ভাগনিকে প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে গহনা ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করে ভুট্টা ক্ষেতে ফেলে রেখে গেছে।
মধুপুর থানার ওসি একেএম ফজলুল হক বলেন, ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যার আগে অন্য কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে।
What's Your Reaction?