নিজের দুটি আসনের কোনটি ছাড়বেন শুভেন্দু ?
পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে দুটি আসনে জয় পেলেও একটি আসন ছেড়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম আসনের কোনটি রাখবেন, সে সিদ্ধান্ত নেবে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
বুধবার (৬ মে) তিনি বলেন, ‘আমি ১০ দিনের মধ্যে একটি আসন ছাড়ব। কোনটি রাখব, তা দলই ঠিক করবে। ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের মানুষের প্রতি আমার দায়িত্ব আমি ভুলব না।’ খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর।
নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর আসনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন। এছাড়া নন্দীগ্রাম আসনে টানা তৃতীয়বারের মতো জয়ী হন তিনি। ভবানীপুরে তিনি ১৫ হাজারের বেশি ভোটে জয় লাভ করেন, যা তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্যে তিনি শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নতুন সরকার গঠনের দিন ৯ মে’র আগে কোনো বিজয় মিছিল না করতে।
এ সময় তিনি তৃণমূল আমলে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে বলেন, ওই নির্যাতন তিনি ভুলবেন না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে রাজ্যে বিজেপির ভো
পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে দুটি আসনে জয় পেলেও একটি আসন ছেড়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম আসনের কোনটি রাখবেন, সে সিদ্ধান্ত নেবে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
বুধবার (৬ মে) তিনি বলেন, ‘আমি ১০ দিনের মধ্যে একটি আসন ছাড়ব। কোনটি রাখব, তা দলই ঠিক করবে। ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের মানুষের প্রতি আমার দায়িত্ব আমি ভুলব না।’ খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর।
নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর আসনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন। এছাড়া নন্দীগ্রাম আসনে টানা তৃতীয়বারের মতো জয়ী হন তিনি। ভবানীপুরে তিনি ১৫ হাজারের বেশি ভোটে জয় লাভ করেন, যা তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্যে তিনি শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নতুন সরকার গঠনের দিন ৯ মে’র আগে কোনো বিজয় মিছিল না করতে।
এ সময় তিনি তৃণমূল আমলে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে বলেন, ওই নির্যাতন তিনি ভুলবেন না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে রাজ্যে বিজেপির ভোটের হার ৪৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬০ শতাংশে পৌঁছাবে এবং দলটি দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকবে।
এছাড়া নন্দীগ্রামের বাসিন্দাদের জন্য বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ ও উন্নত হাসপাতাল সেবার আশ্বাসও দেন তিনি।