নিজ বাড়িতে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তাকে গলা কেটে হত্যা

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় শাহানাজ বেগম নামে এক অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তাকে নিজ বাড়িতে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের মহব্বত নন্দীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহানাজ বেগম (৭০) ওই গ্রামের মৃত আবুল খালেকের স্ত্রী। তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা শাহানাজ বেগমের বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্বজনরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মরদেহ বর্তমানে ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের ভাতিজা আবু রায়হান সুজন বলেন, ঘটনার সময় তিনি বাজারে ছিলেন। শাহানাজ বেগমের ছেলে সজিব ফোন করে তাকে দ্রুত বাড়িতে যেতে বলেন এবং জানান যে বাড়িতে অপরিচিত লোকজন ঢুকেছে।  সুজন আরও বলেন, দ্রুত বাড়িতে পৌঁছে দেখি বড় আম্মা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তার গলার কাছে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। সজিবের স্

নিজ বাড়িতে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তাকে গলা কেটে হত্যা
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় শাহানাজ বেগম নামে এক অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তাকে নিজ বাড়িতে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের মহব্বত নন্দীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহানাজ বেগম (৭০) ওই গ্রামের মৃত আবুল খালেকের স্ত্রী। তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা শাহানাজ বেগমের বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্বজনরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মরদেহ বর্তমানে ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের ভাতিজা আবু রায়হান সুজন বলেন, ঘটনার সময় তিনি বাজারে ছিলেন। শাহানাজ বেগমের ছেলে সজিব ফোন করে তাকে দ্রুত বাড়িতে যেতে বলেন এবং জানান যে বাড়িতে অপরিচিত লোকজন ঢুকেছে।  সুজন আরও বলেন, দ্রুত বাড়িতে পৌঁছে দেখি বড় আম্মা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তার গলার কাছে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। সজিবের স্ত্রীকে আরেকটি ঘরে আটকে রাখা ছিল। পরে বড় আম্মাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে এলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শিবগঞ্জ থানার ওসি শাহিনুজ্জামান শাহীন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে কাজ করছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow