নিরাপত্তা হুমকিতে যুক্তরাজ্যের রাজপরিবার, অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার

যুক্তরাজ্যের রাজপরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটনের লন্ডনের বাসভবন কেনসিংটন প্যালেসে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তির নাম ডেরেক ইগান। ডেইলি এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনের তথ্য মতে, ক্রিসমাসের ছুটিতে এমন ঘটনাটি ঘটেছে। তখন প্রিন্স ও প্রিন্সেস অব ওয়েলস কেট প্যালেসে উপস্থিত ছিলেন না। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দু’বার কেনসিংটন প্যালেসের চত্বরে প্রবেশ করেন ডেরেক ইগান নামের ওই ব্যক্তি। জানা গেছে, লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের রয়্যাল অ্যান্ড স্পেশালিস্ট প্রোটেকশন কমান্ডের কর্মকর্তারা প্রথমে ২১ ডিসেম্বর এবং পরে ২৩ ডিসেম্বর কেনসিংটন প্যালেসের ভেতরে ডেরিক নামের ওই ব্যক্তিকে দেখতে পান। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় তার কাছে একটি ভারী রুকস্যাক ছিল। আদালতে তোলা হলে বিচারকের সামনেই অভিযুক্ত ব্যক্তি বিশৃঙ্খল আচরণ করেন। ফলে জেলা বিচারক স্যাম গুজি বলেন, আদালত ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি তার আচরণের কারণে তাকে জামিন দেওয়া হচ্ছে না এবং দোষী সাব্যস্ত হলে তার কারাদণ্ড হতে পারে। ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস (সিপি

নিরাপত্তা হুমকিতে যুক্তরাজ্যের রাজপরিবার, অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার

যুক্তরাজ্যের রাজপরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটনের লন্ডনের বাসভবন কেনসিংটন প্যালেসে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তির নাম ডেরেক ইগান।

ডেইলি এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনের তথ্য মতে, ক্রিসমাসের ছুটিতে এমন ঘটনাটি ঘটেছে। তখন প্রিন্স ও প্রিন্সেস অব ওয়েলস কেট প্যালেসে উপস্থিত ছিলেন না। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দু’বার কেনসিংটন প্যালেসের চত্বরে প্রবেশ করেন ডেরেক ইগান নামের ওই ব্যক্তি।

জানা গেছে, লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের রয়্যাল অ্যান্ড স্পেশালিস্ট প্রোটেকশন কমান্ডের কর্মকর্তারা প্রথমে ২১ ডিসেম্বর এবং পরে ২৩ ডিসেম্বর কেনসিংটন প্যালেসের ভেতরে ডেরিক নামের ওই ব্যক্তিকে দেখতে পান। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় তার কাছে একটি ভারী রুকস্যাক ছিল।

আদালতে তোলা হলে বিচারকের সামনেই অভিযুক্ত ব্যক্তি বিশৃঙ্খল আচরণ করেন। ফলে জেলা বিচারক স্যাম গুজি বলেন, আদালত ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি তার আচরণের কারণে তাকে জামিন দেওয়া হচ্ছে না এবং দোষী সাব্যস্ত হলে তার কারাদণ্ড হতে পারে।

ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস (সিপিএস) জানিয়েছে, রাজপরিবারের নিরাপত্তা জড়িত থাকায় মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তারা আরও জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও রাজপরিবারের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মামলাটি চালানোর জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের অনুমোদন প্রয়োজন।

এই ঘটনার পর রাজপরিবারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow