নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ড. ফয়জুল হককে শোকজ
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ফয়জুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কমিটির প্রধান যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয় আদালত) রেজওয়ানা আফরিন সই করা এই নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণাকালে ড. ফয়জুল হক এমন বক্তব্য দিয়েছেন, যা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে ও ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট প্রার্থনার শামিল। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রচারণা চালানোর অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে। কমিটির কাছে থাকা নির্ভরযোগ্য তথ্য, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত ৭ জানুয়ারি রাজাপুর উপজেলায় অনুষ্ঠিত একটি উঠান বৈঠকে তিনি জনসমক্ষে ওই বক্তব্য দেন। নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ঘটনায় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৫-এর উপবিধি (ক), বিধি ১৬-এর উপবিধি (ঙ) এবং বিধি ১৮-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ কেন
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ফয়জুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কমিটির প্রধান যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয় আদালত) রেজওয়ানা আফরিন সই করা এই নোটিশ দেওয়া হয়।
নোটিশে বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণাকালে ড. ফয়জুল হক এমন বক্তব্য দিয়েছেন, যা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে ও ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট প্রার্থনার শামিল। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রচারণা চালানোর অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে।
কমিটির কাছে থাকা নির্ভরযোগ্য তথ্য, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত ৭ জানুয়ারি রাজাপুর উপজেলায় অনুষ্ঠিত একটি উঠান বৈঠকে তিনি জনসমক্ষে ওই বক্তব্য দেন।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ঘটনায় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৫-এর উপবিধি (ক), বিধি ১৬-এর উপবিধি (ঙ) এবং বিধি ১৮-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ কেন নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১২ জানুয়ারি সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ফয়জুল হক সন্ধ্যায় জাগো নিউজকে বলেন, তিনি শোকজ নোটিশটি পেয়েছেন। নোটিশটি পূর্ণাঙ্গভাবে পর্যালোচনা করে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত হয়ে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করবেন। নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুযায়ী সতর্ক ও পরামর্শ দেওয়ার এখতিয়ার রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মো. আমিন হোসেন/এমএন
What's Your Reaction?