নির্বাচনে এনসিপির শীর্ষ নেতাদের প্রতিপক্ষ কারা, জিতবেন কি তারা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের সঙ্গে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। কোটাবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করা এই দলটি এবার ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। এসব আসনে এনসিপির প্রার্থীদের বড় একটি অংশ জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে উঠে আসা তরুণ নেতৃত্ব। দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম—সবাই শাপলা কলি প্রতীকে নির্বাচনী মাঠে লড়ছেন। তবে আশাবাদ থাকলেও প্রায় প্রতিটি আসনেই তাদের সামনে রয়েছে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। ঢাকা-১১ (রামপুরা-বাড্ডা-ভাটারা-হাতিরঝিল আংশিক) আসনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের লড়াইকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এখানে তার প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম। স্থানীয়দের মতে, এ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে। রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন প্রতিদ্ব
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের সঙ্গে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। কোটাবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করা এই দলটি এবার ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। এসব আসনে এনসিপির প্রার্থীদের বড় একটি অংশ জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে উঠে আসা তরুণ নেতৃত্ব।
দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম—সবাই শাপলা কলি প্রতীকে নির্বাচনী মাঠে লড়ছেন। তবে আশাবাদ থাকলেও প্রায় প্রতিটি আসনেই তাদের সামনে রয়েছে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ।
ঢাকা-১১ (রামপুরা-বাড্ডা-ভাটারা-হাতিরঝিল আংশিক) আসনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের লড়াইকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এখানে তার প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম। স্থানীয়দের মতে, এ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে।
রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াত প্রার্থী সরে দাঁড়ালেও মাঠে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির শক্ত অবস্থানের কারণে এখানে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস মিলছে।
ঢাকা-৮ (রমনা-মতিঝিল) আসনে মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রতিপক্ষ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস। এ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীও থাকায় প্রতিযোগিতা আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে আব্দুল হান্নান মাসউদের সামনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে ভোট বিভক্ত হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলছেন স্থানীয় ভোটাররা।
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। বিএনপির মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় এ আসনে দলটির কোনো প্রার্থী নেই। যদিও ইসলামী ও ছোট দলগুলোর একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা পুরোপুরি একপেশে নয়।
পঞ্চগড়-১ আসনে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের লড়াই বেশ চ্যালেঞ্জিং। বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমিরের সঙ্গে তার সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিক বনাম আন্দোলন-নেতৃত্ব থেকে উঠে আসা তরুণ—এই দ্বন্দ্ব ভোটের ফলাফলে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
সব মিলিয়ে জামায়াতের জোটসঙ্গী হিসেবে প্রথম জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া এনসিপির জন্য এবারের ভোট তরুণ রাজনীতির শক্তি যাচাইয়ের বড় মঞ্চ হয়ে উঠেছে।
What's Your Reaction?