নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই : জামায়াত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এক বৈঠকে এ অভিযোগ করা হয়।
শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা এটিএম মা’ছুম। কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা আবদুল হালিমের পরিচালনায় বৈঠকে কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কমিটির সদস্য মাওলানা আফম আবদুস সাত্তারের পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে বৈঠক শুরু হয়।
উদ্বোধনী বক্তব্য দেন মাওলানা এটিএম মা’ছুম। সভায় নির্বাচন পরিচালনার কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে একাধিক সাব-কমিটি গঠন করা হয় এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। একই সঙ্গে কমিটির কার্যক্রম জোরদার করতে আরও কয়েকজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠকে বলা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বিদ্যমান নেই। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়।
বক্তারা বলেন, দেশ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এক বৈঠকে এ অভিযোগ করা হয়।
শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা এটিএম মা’ছুম। কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা আবদুল হালিমের পরিচালনায় বৈঠকে কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কমিটির সদস্য মাওলানা আফম আবদুস সাত্তারের পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে বৈঠক শুরু হয়।
উদ্বোধনী বক্তব্য দেন মাওলানা এটিএম মা’ছুম। সভায় নির্বাচন পরিচালনার কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে একাধিক সাব-কমিটি গঠন করা হয় এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। একই সঙ্গে কমিটির কার্যক্রম জোরদার করতে আরও কয়েকজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠকে বলা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বিদ্যমান নেই। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়।
বক্তারা বলেন, দেশবাসী এখনো ওসমান হাদির বিচার পায়নি। দেশে সন্ত্রাস নির্মূলে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই এবং মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটছে। অথচ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
বৈঠকে আরও বলা হয় যে, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা প্রমাণ করে প্রশাসন কারও একদিকে ঝুঁকে পড়ছে, যা কিছুতেই কাম্য নয়। এই প্রবণতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে অবশ্যই চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।