নির্বাচন ঘিরে চট্টগ্রামে কড়া নিরাপত্তা, বসেছে চেকপোস্ট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে কড়া নিরাপত্তা জোরদার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সিএমপির ১৬ থানা এলাকায় একযোগে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হয়েছে। এছাড়াও তাবু টানিয়ে বসানো হয়েছে বাঙ্কার। থানা পুলিশের পাশাপাশি লাইনের পুলিশ সদস্যরা বাঙ্কারে দায়িত্ব পালন করছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর কাস্টমস মোড়ের পরে চেকপোস্টে মোটরসাইকেল, সিএনজিসহ অন্যান্য গাড়ি এবং আরোহীদের তল্লাশি করছে বন্দর থানা পুলিশ। বসানো হয়েছে বাংকারও। এছাড়া বারিক বিল্ডিং মোড়, কালুরঘাট মোড়সহ নগরীর ব্যস্ততম সড়কে বিভিন্ন পয়েন্টে বাংকার বসানো হয়েছে। তল্লাশির বিষয়ে জানতে চাইলে বন্দর থানার সহকারী উপপরিদর্শক বাবুল হোসেন কালবেলাকে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে এই চেকপোস্ট কার্যক্রম। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সবসময় পোস্ট কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এদিকে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে চট্টগ্রামে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর তিন দ

নির্বাচন ঘিরে চট্টগ্রামে কড়া নিরাপত্তা, বসেছে চেকপোস্ট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে কড়া নিরাপত্তা জোরদার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সিএমপির ১৬ থানা এলাকায় একযোগে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হয়েছে। এছাড়াও তাবু টানিয়ে বসানো হয়েছে বাঙ্কার। থানা পুলিশের পাশাপাশি লাইনের পুলিশ সদস্যরা বাঙ্কারে দায়িত্ব পালন করছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর কাস্টমস মোড়ের পরে চেকপোস্টে মোটরসাইকেল, সিএনজিসহ অন্যান্য গাড়ি এবং আরোহীদের তল্লাশি করছে বন্দর থানা পুলিশ। বসানো হয়েছে বাংকারও। এছাড়া বারিক বিল্ডিং মোড়, কালুরঘাট মোড়সহ নগরীর ব্যস্ততম সড়কে বিভিন্ন পয়েন্টে বাংকার বসানো হয়েছে। তল্লাশির বিষয়ে জানতে চাইলে বন্দর থানার সহকারী উপপরিদর্শক বাবুল হোসেন কালবেলাকে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে এই চেকপোস্ট কার্যক্রম। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সবসময় পোস্ট কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এদিকে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে চট্টগ্রামে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে মাইক্রোবাস, ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ ও ট্রাক চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা থাকবে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে। মাইক্রোবাস, ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ ও ট্রাক চলাচল ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমোদিত পর্যবেক্ষক, জরুরি সেবা, ওষুধ, স্বাস্থ্যসেবা, সংবাদপত্র, বিদেশি ও দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন, বিটিআরসি ও সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিযোগাযোগ সংস্থার যানবাহন নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে না। এ ছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী বা জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল চলাচল করতে পারবে। তবে চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়াও আন্তজেলা বা মহানগর থেকে বাহির বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক ও প্রধান সংযোগ সড়কে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow