নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী

দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-হাকিমপুর-নবাবগঞ্জ-ঘোড়াঘাট) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া প্রতীক) শাহনেওয়াজ শুভ প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতার অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় দিনাজপুরের হাকিমপুর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর এ ঘোষণা দেন তিনি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান ও নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। গত ২৩ জানুয়ারি পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী আমার পারিবারিক কবর জিয়ারতের মধ্যে আমার আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেই মোতাবেক আমার কর্মী, সমর্থক ও গ্রামবাসীকে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হলে স্থানীয় বিএনপি নেতা আমার ওপর আক্রমণের চেষ্টা করে। সেসময় আমি গ্রামবাসী ও কর্মী-সমর্থকদের সহায়তায় প্রাণে বেঁচে যাই। বিষয়টি প্রশাসনকে জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। তারা সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করছেন।  তিনি আরও বলেন, প্রতীক পাওয়ার পর ২১ জানুয়ারি আমি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়াল নামের বই চাইলেও উনি তা দিতে পারেননি। এমনকি গত ২২ জানুয়া

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী

দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-হাকিমপুর-নবাবগঞ্জ-ঘোড়াঘাট) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া প্রতীক) শাহনেওয়াজ শুভ প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতার অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় দিনাজপুরের হাকিমপুর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর এ ঘোষণা দেন তিনি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান ও নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। গত ২৩ জানুয়ারি পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী আমার পারিবারিক কবর জিয়ারতের মধ্যে আমার আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেই মোতাবেক আমার কর্মী, সমর্থক ও গ্রামবাসীকে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হলে স্থানীয় বিএনপি নেতা আমার ওপর আক্রমণের চেষ্টা করে। সেসময় আমি গ্রামবাসী ও কর্মী-সমর্থকদের সহায়তায় প্রাণে বেঁচে যাই। বিষয়টি প্রশাসনকে জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। তারা সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করছেন। 

তিনি আরও বলেন, প্রতীক পাওয়ার পর ২১ জানুয়ারি আমি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়াল নামের বই চাইলেও উনি তা দিতে পারেননি। এমনকি গত ২২ জানুয়ারি বিরামপুরে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া আমার জায়গা দখল করে নেওয়া হচ্ছে বিষয়টি জরুরি জাতীয় পরিসেবাসহ এসপি, ওসি ও এসিল্যান্ডকে জানালেও কোনো খোঁজ করেননি। এমন অবস্থায় তাদের ভূমিকা দেখে আমার নিরাপত্তা শঙ্কা বোধ করি। সে কারণে আমি নিজস্ব নিরাপত্তার জন্য অস্ত্রের লাইসেন্স চেয়ে আবেদন করলেও এখন পর্যন্ত সেটি দেওয়া হচ্ছে না।

শাহনেওয়াজ শুভ বলেন, সবমিলিয়ে যে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা একটি বই দিতে পারে না, আমাকে অস্ত্রের লাইসেন্স দেয়নি, রাতে আমার জমি দখল, অস্ত্রের লাইসেন্স না দেওয়া প্রশাসনের নীরব ভূমিকা সবমিলিয়ে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ধান কাটায় দক্ষ জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষে এই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে আমি মনে করি না। এমতাবস্থায় আমি আমার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করছি এবং নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি। আজ আমার জান-মাল হুমকির মুখে, আমার যদি কিছু হয় এই জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং প্রশাসন দায়ী থাকবেন।

এ সময় সেখানে হাকিমপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তাফিজার রহমান মিলন, সাধারণ সম্পাদক মুরাদ ইমাম কবিরসহ প্রেস ক্লাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow