নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার দখলে সরকারি কালভার্ট, পানিবন্দি ৩০ পরিবার
সিলেটের গোয়াইনঘাটে একটি সরকারি কালভার্টের দুই পাশের মুখ মাটি ভরাট করে দখলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুরছালিন শ্যামল নামে সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। শ্যামল গোয়াইনঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ছিলেন। কালভার্টের দুই পাশে মাটি ভরাট ও দখলে নেওয়ায় উপজেলার ইসলামাবাদ (লংলাখাল) গ্রামের ৩০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এমনকি লংলাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কবরস্থানের পানিসহ কালভার্ট দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় ওই গ্রামের ৩০টি পরিবারের দুই শতাধিক মানুষের বাড়ির উঠান ও বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে। জানা গেছে, উপজেলার ২ নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের ইসলামাবাদ (লংলাখাল) মৌজায় সরকারি খাস খতিয়ানভূক্ত প্রায় ছয় বিঘা কবরস্থানের জমিসহ একটি খাল ছিল। ওই খাল দিয়ে ৩০টি পরিবারে, কবরস্থান ও বিদ্যালয়ের পানি নিষ্কাশনের জন্য পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দে খালের সড়কের ওপর ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে তিন লাখ টাকা ব্যয়ে একটি কালভার্ট নির্মাণ করে দেওয়া হয়। গত তিন বছর আগে কবরস্থান, বিদ্যালয় ও বাড়িঘরের পানি নিষ্কাশনের লংলাখালটির মুখ ও কালভার্টের দুই পাশে মাটি
সিলেটের গোয়াইনঘাটে একটি সরকারি কালভার্টের দুই পাশের মুখ মাটি ভরাট করে দখলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুরছালিন শ্যামল নামে সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। শ্যামল গোয়াইনঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ছিলেন।
কালভার্টের দুই পাশে মাটি ভরাট ও দখলে নেওয়ায় উপজেলার ইসলামাবাদ (লংলাখাল) গ্রামের ৩০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এমনকি লংলাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কবরস্থানের পানিসহ কালভার্ট দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।
পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় ওই গ্রামের ৩০টি পরিবারের দুই শতাধিক মানুষের বাড়ির উঠান ও বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে।
জানা গেছে, উপজেলার ২ নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের ইসলামাবাদ (লংলাখাল) মৌজায় সরকারি খাস খতিয়ানভূক্ত প্রায় ছয় বিঘা কবরস্থানের জমিসহ একটি খাল ছিল। ওই খাল দিয়ে ৩০টি পরিবারে, কবরস্থান ও বিদ্যালয়ের পানি নিষ্কাশনের জন্য পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দে খালের সড়কের ওপর ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে তিন লাখ টাকা ব্যয়ে একটি কালভার্ট নির্মাণ করে দেওয়া হয়।
গত তিন বছর আগে কবরস্থান, বিদ্যালয় ও বাড়িঘরের পানি নিষ্কাশনের লংলাখালটির মুখ ও কালভার্টের দুই পাশে মাটি দিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী ও গোয়াইনঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মুরছালিন শ্যামল ভরাট করে দেয়।
ভুক্তভোগী জামিল, আব্দুল গনি, আব্দুর রব, আব্দুল মজিদ, রোমান আহমদসহ বেশ কয়েকজন জানান, আমরা গ্রামের লোকজন বাধা দিলেও শ্যামল ও তার ভাইয়েরা আমাদের কথা শোনেনি। তারা কালভার্টের দুই পাশের মুখ ও খাল মাটি দিয়ে ভরাট করে দিয়েছে।
তাদের অভিযোগ, শ্যামল আওয়ামী লীগের লোক হওয়ায় প্রভাব দেখিয়ে তিন বছর আগে নদী থেকে বালু তুলে এই খাল ও কালভার্টের দুই পাশে মাটি দিয়ে ভরাট করেছে। পরে নেট জাল দিয়ে বেড়া দিয়ে দখলে নিয়েছে। ওই সময় আমরা প্রতিবাদ করলেও কোনো প্রতিকার পাননি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শ্যামল কালবেলাকে বলেন, ওই জায়গা সরকার বাহাদুর থেকে বন্দোবস্ত এনে দখল করেছি এবং ভরাট করেছি। নদী থেকে বালু তুলে অনেক টাকা খরচ করে করেছি। কালভার্টের মুখ মাটি দিয়ে বন্ধ হওয়ায় পানি আটকে অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়েছে স্বীকার করে তিনি বলেন, (ভুক্তভোগীরা) তার আত্মীয়। তাই চাইলে আবার খাল করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে নিতে পারবে।
এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার রতন কুমার অধিকারী কালবেলাকে বলেন, কালভার্টের মুখ ভরাট করে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করার খবর পেয়েছি। এটা করার এখতিয়ার কারও নেই। আমি দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।
What's Your Reaction?