নিহত সেই পরিবারের হাতে ৫ লাখ টাকা তুলে দিলেন নৌপ্রতিমন্ত্রী

ঈদুল ফিতরে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা সোহেল ফকিরের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ‎শনিবার (১৩ জুন) সকালে মেহেন্দিগঞ্জে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ট্রাস্টি বোর্ডের পক্ষ থেকে নিহতদের স্বজনদের হাতে ৫ লাখ টাকার চেক তুলে দেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। এর মধ্যে নিহত সোহেল ফকিরের মায়ের হাতে আড়াই লাখ এবং স্ত্রীকে আড়াই লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।  এছাড়াও নিহতের পরিবারের জন্য আরও ২৫ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্ঘটনায় স্বজন হারানোর শোক কখনোই পূরণ হওয়ার নয়। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ এবং তাদের আর্থিক দুর্ভোগ কিছুটা লাঘবের লক্ষ্যে এ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে‎ বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তা, বিএনপির স্থানীয় নেতারাসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ১৮ মার্চ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিজ গ্রামে বাবা এবং গর্ভবতী স্ত্রীকে নিয়ে ফিরছিলেন সোহেল ফকির। এসময় ট্রলার যোগে ‘এমভি আসা যাওয়া-

নিহত সেই পরিবারের হাতে ৫ লাখ টাকা তুলে দিলেন নৌপ্রতিমন্ত্রী

ঈদুল ফিতরে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা সোহেল ফকিরের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

‎শনিবার (১৩ জুন) সকালে মেহেন্দিগঞ্জে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ট্রাস্টি বোর্ডের পক্ষ থেকে নিহতদের স্বজনদের হাতে ৫ লাখ টাকার চেক তুলে দেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। এর মধ্যে নিহত সোহেল ফকিরের মায়ের হাতে আড়াই লাখ এবং স্ত্রীকে আড়াই লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। 

এছাড়াও নিহতের পরিবারের জন্য আরও ২৫ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্ঘটনায় স্বজন হারানোর শোক কখনোই পূরণ হওয়ার নয়। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ এবং তাদের আর্থিক দুর্ভোগ কিছুটা লাঘবের লক্ষ্যে এ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে‎ বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তা, বিএনপির স্থানীয় নেতারাসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ মার্চ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিজ গ্রামে বাবা এবং গর্ভবতী স্ত্রীকে নিয়ে ফিরছিলেন সোহেল ফকির। এসময় ট্রলার যোগে ‘এমভি আসা যাওয়া-৫’ লঞ্চে ওঠার সময় অপর একটি লঞ্চের চাপায় মর্মান্তিক নিহত হন সোহেল ও তার বাবা মিরাজ।

দুর্ঘটনার সময় ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে যায় সোহেলের গর্ভবতী স্ত্রী নূর আফরিন রুবা। এতে তার একটি পা এবং একটি হাত ভেঙে যায়। দীর্ঘদিন ঢাকায় চিকিৎসা শেষে বরিশাল নগরীর কাশিপুরের বাড়িতে ফেরেন তিনি। সবশেষ গত ৯ জুন ভোরে বাবার বাড়িতে রুবার কোলজুড়ে জন্ম নেয় পুত্র সন্তান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow