নেত্রকোনায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন

নেত্রকোনায় এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় দীর্ঘ ১৩ বছর পর অভিযুক্ত মো. হেলালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে জনাকীর্ণ আদালতে আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. এমদাদুল হক।আদালত সূত্র ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, ২০১৩ সালের ১০ জুলাই নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার বাসিন্দা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও স্বামী পরিত্যক্তা খোদবানুকে প্রতিবেশী মো. হেলাল জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ঘটনার ছয় মাস পর ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হলে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে বিয়ের উদ্যোগ নেওয়া হলেও অভিযুক্ত তা অস্বীকার করেন। পরে ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা দায়ের করে। মামলা তদন্তাধীন অবস্থায় ভুক্তভোগী একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। পরে শিশুটি মারা যায়। তদন্তের একপর্যায়ে ডিএনএ পরীক্ষায় শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে মো. হেলালের পরিচয় নিশ্চিত হয়। এরপর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে।দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য-প্র

নেত্রকোনায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন

নেত্রকোনায় এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় দীর্ঘ ১৩ বছর পর অভিযুক্ত মো. হেলালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।

একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে জনাকীর্ণ আদালতে আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. এমদাদুল হক।

আদালত সূত্র ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, ২০১৩ সালের ১০ জুলাই নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার বাসিন্দা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও স্বামী পরিত্যক্তা খোদবানুকে প্রতিবেশী মো. হেলাল জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

ঘটনার ছয় মাস পর ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হলে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে বিয়ের উদ্যোগ নেওয়া হলেও অভিযুক্ত তা অস্বীকার করেন। পরে ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা দায়ের করে। মামলা তদন্তাধীন অবস্থায় ভুক্তভোগী একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। পরে শিশুটি মারা যায়।

তদন্তের একপর্যায়ে ডিএনএ পরীক্ষায় শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে মো. হেলালের পরিচয় নিশ্চিত হয়। এরপর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন। রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, খোদবানুর সন্তানের জৈবিক পিতা মো. হেলাল উদ্দিন এবং দীর্ঘ ১৩ বছর পর ভুক্তভোগীর সন্তান তার পিতৃপরিচয়ের আইনি স্বীকৃতি লাভ করেছে। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow