নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলি ৫ দিনের রিমান্ডে

নেপালের কাঠমান্ডু জেলা আদালত সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) বিচারক আনন্দ শেরেস্থার একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন। সেপ্টেম্বর মাসে জেন-জি নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে প্রাণহানির ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত চলছে। সরকারি আইনজীবীরা তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চাইলেও আদালত পাঁচ দিনের অনুমোদন দেয়। শুনানিতে লেখককে সরাসরি আদালতে হাজির করা হয়। অন্যদিকে, অসুস্থতার কারণে বর্তমানে চিকিৎসাধীন কেপি শর্ম ওলি ভার্চুয়ালি শুনানিতে অংশ নেন। গত শনিবার সকালে সেপ্টেম্বর ৮-এর ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতায় দুই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই সময় বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত শক্তি ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। শুনানিতে সরকারি পক্ষ জানায়, তদন্ত এগিয়ে নিতে রিমান্ড প্রয়োজন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা গ্রেফতারের কোনো ভিত্তি নেই বলে দাবি করে তাদের মুক্তির আবেদন জানান। একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এই তাদের গ্রেফতার করা হয়। কমিশন সেপ্টেম্বর ৮-৯ তারিখের বিক্ষোভ দমনে অবহেলা ও দায়িত্বহীন আচরণের অভিযোগে ত

নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলি ৫ দিনের রিমান্ডে

নেপালের কাঠমান্ডু জেলা আদালত সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

রোববার (২৯ মার্চ) বিচারক আনন্দ শেরেস্থার একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন। সেপ্টেম্বর মাসে জেন-জি নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে প্রাণহানির ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত চলছে।

সরকারি আইনজীবীরা তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চাইলেও আদালত পাঁচ দিনের অনুমোদন দেয়।

শুনানিতে লেখককে সরাসরি আদালতে হাজির করা হয়। অন্যদিকে, অসুস্থতার কারণে বর্তমানে চিকিৎসাধীন কেপি শর্ম ওলি ভার্চুয়ালি শুনানিতে অংশ নেন।

গত শনিবার সকালে সেপ্টেম্বর ৮-এর ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতায় দুই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই সময় বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত শক্তি ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে।

শুনানিতে সরকারি পক্ষ জানায়, তদন্ত এগিয়ে নিতে রিমান্ড প্রয়োজন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা গ্রেফতারের কোনো ভিত্তি নেই বলে দাবি করে তাদের মুক্তির আবেদন জানান।

একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এই তাদের গ্রেফতার করা হয়। কমিশন সেপ্টেম্বর ৮-৯ তারিখের বিক্ষোভ দমনে অবহেলা ও দায়িত্বহীন আচরণের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার সুপারিশ করে।

বিক্ষোভের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

এদিকে, তাদের আটকাদেশ চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে পৃথক হেবিয়াস করপাস আবেদন দায়ের করা হয়েছে।

সূত্র: দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow