‘নেশাজাতীয় তরল’ পানে ৫ জনের মৃত্যু
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় নেশাজাতীয় তরল দ্রব্য পান করে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) ও বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তাদের মৃত্যু হয়। শুক্রবার (৩১ জুলাই) মৃত্যুর খবরটি প্রকাশ পায়। নিহতদের মধ্যে সুদেব দাস (৬০) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। নিহত সুদেব দাস উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের বাসিন্দা। মৃত অন্যরা হলেন, লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের সুজিত দাস (৩৫), ভাদিকাড়া গ্রামের নন্দলাল রবিদাস (৫২), তার স্ত্রী সুবি রবিদাস (৪০) এবং হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার এলাকার রঞ্জিত (৪৫)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া ব্যক্তিরা লাখাই উপজেলার মোড়াকড়ি বাজারের ‘হ্যানিম্যান হোমিও হল’ থেকে অ্যালকোহল জাতীয় তরল দ্রব্য কিনে নিয়মিত নেশার উদ্দেশ্যে সেবন করতেন। গত মঙ্গলবার রাতে ওই তরল দ্রব্য সেবনের পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তারা বুধবার ও বৃহস্পতিবার একে একে সবাই মারা যান। এরমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয় সুজিতের। আর হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে মারা যান সুবেদ। রঞ্জিত মারা যান ঢাকায় নেয়ার পথে। এছাড়াও নন্দলাল র
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় নেশাজাতীয় তরল দ্রব্য পান করে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) ও বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তাদের মৃত্যু হয়। শুক্রবার (৩১ জুলাই) মৃত্যুর খবরটি প্রকাশ পায়।
নিহতদের মধ্যে সুদেব দাস (৬০) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। নিহত সুদেব দাস উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের বাসিন্দা।
মৃত অন্যরা হলেন, লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের সুজিত দাস (৩৫), ভাদিকাড়া গ্রামের নন্দলাল রবিদাস (৫২), তার স্ত্রী সুবি রবিদাস (৪০) এবং হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার এলাকার রঞ্জিত (৪৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া ব্যক্তিরা লাখাই উপজেলার মোড়াকড়ি বাজারের ‘হ্যানিম্যান হোমিও হল’ থেকে অ্যালকোহল জাতীয় তরল দ্রব্য কিনে নিয়মিত নেশার উদ্দেশ্যে সেবন করতেন। গত মঙ্গলবার রাতে ওই তরল দ্রব্য সেবনের পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তারা বুধবার ও বৃহস্পতিবার একে একে সবাই মারা যান। এরমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয় সুজিতের। আর হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে মারা যান সুবেদ। রঞ্জিত মারা যান ঢাকায় নেয়ার পথে। এছাড়াও নন্দলাল রবিদাস ও তার স্ত্রী সুবি রবিদাস নিজ গ্রামেই মারা যান।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ কালবেলাকে জানান, খবর পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থলে যাই। তারা পুলিশকে না জানিয়েই মরদেহগুলো দাহ করেছে। এরমধ্যে সুদেব দাস নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে৷
তিনি আরও জানান, মদের উৎস ও এতে কোনো বিষাক্ত উপাদান ছিল কি না এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
What's Your Reaction?