নেশার টাকা দিতে অস্বীকার করায় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে মাদক কেনার টাকা দিতে অস্বীকার করায় সুমি খাতুন (২৭) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন। তবে নিহতের শাশুড়ি ও তার দুই ননদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে শাহজাদপুর পৌরসভার পুকুর পাড় নামক এলাকার সেরাজের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটনা। নিহত সুমি খাতুন একই উপজেলার নরীনা ইউনিয়নের কাল্লাকান্দি গ্রামের নূর মোহাম্মদের মেয়ে ও পৌরসভার পুকুর পাড় এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে মেরাজের স্ত্রী। স্থানীয়রা জানায়, প্রায় তিন বছর আগে সুমির সঙ্গে পারিবারিকভাবে মেরাজের বিয়ে হয়। এ বিয়ের আগ থেকেই সেরাজ নেশাগ্রস্ত ছিলেন। এতে সুমি বাঁধা দিলে মাঝেমধ্যেই তাকে নির্যাতন করতেন। কিন্তু আজ সেরাজ নেশার টাকা না পেয়ে তার স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনতে চাপ দেয়। এতে তার স্ত্রী অস্বীকার করলে তাকে বেধড়ক মারধর করে। পরে গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। পরে তার স্ত্রী বিষ খেয়ে মারা গেছে বলে গুজব ছড়িয়ে তিনি পালিয়ে যায়। শাহজাদপুর থানার ভ
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে মাদক কেনার টাকা দিতে অস্বীকার করায় সুমি খাতুন (২৭) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন। তবে নিহতের শাশুড়ি ও তার দুই ননদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে শাহজাদপুর পৌরসভার পুকুর পাড় নামক এলাকার সেরাজের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটনা।
নিহত সুমি খাতুন একই উপজেলার নরীনা ইউনিয়নের কাল্লাকান্দি গ্রামের নূর মোহাম্মদের মেয়ে ও পৌরসভার পুকুর পাড় এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে মেরাজের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানায়, প্রায় তিন বছর আগে সুমির সঙ্গে পারিবারিকভাবে মেরাজের বিয়ে হয়। এ বিয়ের আগ থেকেই সেরাজ নেশাগ্রস্ত ছিলেন। এতে সুমি বাঁধা দিলে মাঝেমধ্যেই তাকে নির্যাতন করতেন। কিন্তু আজ সেরাজ নেশার টাকা না পেয়ে তার স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনতে চাপ দেয়। এতে তার স্ত্রী অস্বীকার করলে তাকে বেধড়ক মারধর করে। পরে গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। পরে তার স্ত্রী বিষ খেয়ে মারা গেছে বলে গুজব ছড়িয়ে তিনি পালিয়ে যায়।
শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ৷ তিনি জানান, বিষ খেয়ে গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে বলে প্রথমে সংবাদ পেয়েছিলাম। কিন্তু ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ওই মরদেহের বিভিন্ন অংশে ক্ষত চিহ্ন ও রক্তের দাগ দেখা গেছে। এতে সন্দেহ সৃষ্টি হওয়ায় নিহতের শাশুড়ি ও তার দুই ননদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। একইসঙ্গে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে এ ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছে বলে জানান ওসি।
এম এ মালেক/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?