ন্যায্য অধিকার না দিলে লড়াই করার হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

ন্যায্য অধিকার না দিলে চুপ নয় বরং জনগণের সঙ্গে থেকে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে রাজধানীর মগবাজার আল-ফালাহ মিলনায়তনে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার অধিবেশন শেষে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকারি দল প্রায় ৭০ ভাগ জনগণের গণভোটের মতকে অগ্রাহ্য করেছে। আমরা যেখানে ছিলাম, সেখানেই থেকে গেলাম। কোনো পরিবর্তন এলো না। হয়তো কেউ কেউ বলবেন যে, চার মাসের সরকার... আমরা তো অপেক্ষা করতে পারি। কিন্তু না, ফাউন্ডেশনের ওপরে একটা দেশ এবং রাষ্ট্র চলে। আমরা সবাই জানি, একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ, দিনটি কেমন যাবে সকালবেলাই তা বলে দেবে। সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে বলে অভিযোগ করেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তার মতে, সরকার স্বাধীন বিচার বিভাগ চাচ্ছে না। স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন ভোট কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন চাচ্ছে না। এভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে জায়গাগুলোর কারণে ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছিল, সেসব জায়গা আগের মতো থেকে গেল। দেশ

ন্যায্য অধিকার না দিলে লড়াই করার হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

ন্যায্য অধিকার না দিলে চুপ নয় বরং জনগণের সঙ্গে থেকে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে রাজধানীর মগবাজার আল-ফালাহ মিলনায়তনে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার অধিবেশন শেষে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকারি দল প্রায় ৭০ ভাগ জনগণের গণভোটের মতকে অগ্রাহ্য করেছে। আমরা যেখানে ছিলাম, সেখানেই থেকে গেলাম। কোনো পরিবর্তন এলো না। হয়তো কেউ কেউ বলবেন যে, চার মাসের সরকার... আমরা তো অপেক্ষা করতে পারি। কিন্তু না, ফাউন্ডেশনের ওপরে একটা দেশ এবং রাষ্ট্র চলে। আমরা সবাই জানি, একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ, দিনটি কেমন যাবে সকালবেলাই তা বলে দেবে।

সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে বলে অভিযোগ করেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

তার মতে, সরকার স্বাধীন বিচার বিভাগ চাচ্ছে না। স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন ভোট কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন চাচ্ছে না। এভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে জায়গাগুলোর কারণে ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছিল, সেসব জায়গা আগের মতো থেকে গেল।

দেশবাসীকে অধিকার আদায়ে অনড় থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। সম্প্রতি গাইবান্ধা ও লক্ষ্মীপুরের ঘটনা দুঃখজনক।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা এজন্য জনগণের পার্লামেন্টে বিষয়টা নিয়ে এসেছি। এর মধ্যে এই দাবি বাস্তবায়নের জন্য ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছি। এটা কোনো দলের জন্য, কোনো জোটের জন্য নয়, এটা জনগণের দাবি। এই রায় দিয়েছে জনগণ।

বাংলাদেশ দুইবার স্বাধীন হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ৪৭-এ একবার, ৭১-এ আরেকবার। বিপুল প্রত্যাশা নিয়ে এই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল। কিন্তু সে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। কারা এখানে মানুষের প্রত্যাশার পারদ ধ্বংস করে দিল? সাধারণ জনগণ নয়, বরং দেশ পরিচালনার দায়িত্ব যাদের ছিল, তাদের ব্যর্থতার কারণে আজও আমাদের দেশে কোনো সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মানুষের জীবনে শান্তি নেই, নিরাপত্তা নেই।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow