ন্যায়পাল নিয়োগে নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে হাইকোর্টের রুল
ন্যায়পাল নিয়োগে রাষ্ট্রের নিষ্ক্রিয়তা কেন অসাংবিধানিক হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে ন্যায়পাল নিয়োগ ও প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর না করার ধারাবাহিক ব্যর্থতা, নিষ্ক্রিয়তা ও অবহেলা কেন বেআইনি, আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না— তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (২১ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি আব্দুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানজিলা রহমান ও ইফাত হাসান শাম্মি। এর আগে সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদ ও ওমবাডসম্যান অ্যাক্ট ১৯৮০ কার্যকর না করে দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়পাল নিয়োগে রাষ্ট্রের নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়। আরও পড়ুনএত মামলা থাকলে কীভাবে বের হবো, মরে গেলে জামিন পাবো শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২৫ জুন রিটে বলা হয়, সংবিধানে ন্যায়পাল নিয়োগের বাধ্যবাধকতা এবং ১৯৮০ সালে প্রণীত পৃথক আইন থাকা সত্ত্বেও স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরও দেশে ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠ
ন্যায়পাল নিয়োগে রাষ্ট্রের নিষ্ক্রিয়তা কেন অসাংবিধানিক হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে ন্যায়পাল নিয়োগ ও প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর না করার ধারাবাহিক ব্যর্থতা, নিষ্ক্রিয়তা ও অবহেলা কেন বেআইনি, আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না— তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (২১ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি আব্দুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানজিলা রহমান ও ইফাত হাসান শাম্মি।
এর আগে সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদ ও ওমবাডসম্যান অ্যাক্ট ১৯৮০ কার্যকর না করে দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়পাল নিয়োগে রাষ্ট্রের নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়।
আরও পড়ুন
এত মামলা থাকলে কীভাবে বের হবো, মরে গেলে জামিন পাবো
শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২৫ জুন
রিটে বলা হয়, সংবিধানে ন্যায়পাল নিয়োগের বাধ্যবাধকতা এবং ১৯৮০ সালে প্রণীত পৃথক আইন থাকা সত্ত্বেও স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরও দেশে ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠা, নিয়োগ ও কার্যক্রম চালু না করা সংবিধানের ম্যান্ডেট, সুশাসন ও নাগরিকের প্রতিকার পাওয়ার অধিকারের পরিপন্থি।
রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, সংবিধানের একটি বাধ্যতামূলক প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ দশক ধরে অকার্যকর রাখা কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, এটি নাগরিকের সাংবিধানিক প্রতিকার পাওয়ার অধিকারকে অস্বীকার করার শামিল। সরকারি দপ্তরে হয়রানি, অবহেলা ও জবাবদিহির সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠান এখন সময়ের দাবি।
তিনি আরও বলেন, দেশে দুর্নীতি দমন কমিশন থাকলেও সরকারি সেবায় নাগরিক হয়রানি, প্রশাসনিক অব্যবস্থা, দায়িত্বে অবহেলা, সেবাপ্রাপ্তিতে দীর্ঘসূত্রতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অসংখ্য অভিযোগ কার্যকরভাবে নিষ্পত্তির জন্য স্বাধীন ন্যায়পাল ব্যবস্থা এখনো অনুপস্থিত। ফলে সাধারণ মানুষ প্রতিকার বঞ্চিত হচ্ছেন।
এফএইচ/কেএসআর
What's Your Reaction?