পছন্দমতো অ্যাপ বানাতে পারবেন নিজেই
বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য একটি প্রযুক্তি। গান শোনা, ছবি তোলা, কাজের মেইল দেখা থেকে শুরু করে ব্যাংকিং সবকিছুই এখন হাতের মুঠোয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে স্মার্টফোনের ফিচারে খুব বড় ধরনের পরিবর্তন চোখে পড়েনি। এবার সেই একঘেয়েমি কাটাতে নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। প্রযুক্তি বিশ্বে আলোচনায় এসেছে একটি নতুন ধারণা ‘ভাইব কোডিং’। এই ধারণার মাধ্যমে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা ভবিষ্যতে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাপের ফিচার বদলাতে বা নতুন ছোটখাটো ফাংশন তৈরি করতে পারবেন। অর্থাৎ, ব্যবহারকারী আর শুধু অ্যাপ ডাউনলোড করেই থেমে থাকবেন না, বরং নিজের মতো করে অ্যাপকে সাজিয়ে নিতে পারবেন। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং তাদের স্মার্টফোন সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম ওয়ান ইউআই-তে এই ধারণা যুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে। সংস্থার মোবাইল এক্সপিরিয়েন্স বিভাগের প্রধান উন জন চই জানিয়েছেন, এতদিন ব্যবহারকারীরা তৈরি করা অ্যাপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন। কিন্তু নতুন এই প্রযুক্তি এলে মানুষ নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাপের ফিচার তৈরি বা পরিবর্তন করতে পারবেন। এই ধারণা
বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য একটি প্রযুক্তি। গান শোনা, ছবি তোলা, কাজের মেইল দেখা থেকে শুরু করে ব্যাংকিং সবকিছুই এখন হাতের মুঠোয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে স্মার্টফোনের ফিচারে খুব বড় ধরনের পরিবর্তন চোখে পড়েনি। এবার সেই একঘেয়েমি কাটাতে নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই।
প্রযুক্তি বিশ্বে আলোচনায় এসেছে একটি নতুন ধারণা ‘ভাইব কোডিং’। এই ধারণার মাধ্যমে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা ভবিষ্যতে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাপের ফিচার বদলাতে বা নতুন ছোটখাটো ফাংশন তৈরি করতে পারবেন। অর্থাৎ, ব্যবহারকারী আর শুধু অ্যাপ ডাউনলোড করেই থেমে থাকবেন না, বরং নিজের মতো করে অ্যাপকে সাজিয়ে নিতে পারবেন।
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং তাদের স্মার্টফোন সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম ওয়ান ইউআই-তে এই ধারণা যুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে। সংস্থার মোবাইল এক্সপিরিয়েন্স বিভাগের প্রধান উন জন চই জানিয়েছেন, এতদিন ব্যবহারকারীরা তৈরি করা অ্যাপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন। কিন্তু নতুন এই প্রযুক্তি এলে মানুষ নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাপের ফিচার তৈরি বা পরিবর্তন করতে পারবেন।
এই ধারণা এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকলেও প্রযুক্তি দুনিয়ায় এটি নিয়ে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। কারণ, ভবিষ্যতে স্মার্টফোন ব্যবহারের ধরণই বদলে দিতে পারে এমন প্রযুক্তি।
অন্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোও একই পথে এগোচ্ছে। যেমন নাথিং ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তাদের প্লেগ্রাউন্ড নামের একটি প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। সেখানে ব্যবহারকারীরা কেবল টেক্সট নির্দেশনা লিখেই ফ্লাইট ট্র্যাকিং বা মিটিং সারাংশের মতো ছোট ছোট উইজেট তৈরি করতে পারছেন।
এআই প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতিও এই পরিবর্তনকে আরও সহজ করছে। যেমন ওপেনএআই-এর কোডেক্স বা অ্যানথ্রপিক-এর ক্লাউড অ্যাজেন্ট-এর মতো টুল ব্যবহার করে কোডিং না জানলেও সহজে সফটওয়্যার বা ছোট অ্যাপ তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। সম্প্রতি এক প্রযুক্তি সাংবাদিক মাত্র ১৫ মিনিটে একটি কার্যকর ম্যাক অ্যাপ তৈরি করে এই সম্ভাবনার দিকটি দেখিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতের স্মার্টফোন আর কেবল প্রযুক্তি কোম্পানির তৈরি অ্যাপের ওপর নির্ভর করবে না। বরং ব্যবহারকারীরাই হয়ে উঠবেন নিজের ডিভাইসের নির্মাতা ও ডিজাইনার। তবে এই জটিল প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজভাবে তুলে ধরা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। যদি স্যামসাং বা অ্যাপল-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এই প্রযুক্তিকে সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে, তাহলে স্মার্টফোন ব্যবহারের ধারণাই বদলে যেতে পারে আগামী দিনে।
আরও পড়ুন
বুক-স্টাইল ফোল্ডেবল ফোন আনলো মটোরোলা
ম্যাকবুক কেনার সময় যে কারণে অফিসিয়াল রিটেইলার বেছে নেবেন
কেএসকে
What's Your Reaction?