পথচারীকে মারধর, মনিকাকে লিগ্যাল নোটিশ
রাজধানীর গুলশানে সাধারণ পথচারীকে মারধরের ঘটনায় বিতর্কিত রুশ-বাংলা মডেল ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর মনিকা কবিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জান্নাতুল ফেরদৌস ডাকযোগে তাকে এই নোটিশ পাঠান।
নোটিশে অনতিবিলম্বে এ ধরনের অশালীন কনটেন্ট বানানো থেকে তাকে বিরত থাকতে এবং ফেসবুক থেকে বিতর্কিত ওই ভিডিও সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে তার অবস্থান, ওয়ার্ক পারমিট এবং বৈধ ভিসা আছে কি না, তা-ও উপস্থাপন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে এসব বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে ঢাকা মেট্রোপলিটন অধ্যাদেশ ১৯৭৬, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৮৬০ ধারা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর গুলশান এলাকায় এক সাধারণ পথচারীকে মারধরের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন এই মডেল। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে ভিডিও ধারণ করার সময় এক পথচারী তার দিকে তাকালে মনিকা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর শুরু করেন এবং পরে হা
রাজধানীর গুলশানে সাধারণ পথচারীকে মারধরের ঘটনায় বিতর্কিত রুশ-বাংলা মডেল ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর মনিকা কবিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জান্নাতুল ফেরদৌস ডাকযোগে তাকে এই নোটিশ পাঠান।
নোটিশে অনতিবিলম্বে এ ধরনের অশালীন কনটেন্ট বানানো থেকে তাকে বিরত থাকতে এবং ফেসবুক থেকে বিতর্কিত ওই ভিডিও সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে তার অবস্থান, ওয়ার্ক পারমিট এবং বৈধ ভিসা আছে কি না, তা-ও উপস্থাপন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে এসব বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে ঢাকা মেট্রোপলিটন অধ্যাদেশ ১৯৭৬, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৮৬০ ধারা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর গুলশান এলাকায় এক সাধারণ পথচারীকে মারধরের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন এই মডেল। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে ভিডিও ধারণ করার সময় এক পথচারী তার দিকে তাকালে মনিকা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর শুরু করেন এবং পরে হাসিমুখে উড়ন্ত চুমু দেন। ঘটনার পর তিনি নিজেই ভিডিওটি ফেসবুকে আপলোড করেন।
ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় এবং তারা ঘটনার সঠিক তদন্ত ও মনিকাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। নিছক ভাইরাল হওয়ার উদ্দেশ্যেই ভিডিওটি আপলোড করা হয়েছে বলে অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন। স্থানীয় সূত্রগুলো ধারণা করছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শিগগিরই এই ভাইরাল ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে।