পদত্যাগের ঘোষণা থেকে সরে এলেন ডাকসুর সর্বমিত্র
নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সমালোচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েও সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে একাধিক গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি দাবি করেন, এখনো শিক্ষার্থীদের একটি অংশ তার পদত্যাগ ‘চায় না’। তাদের মতে, এভাবে পদত্যাগ করা হলে তা ‘গণবিরোধী’ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ‘প্রতারণার’ শামিল হবে। সর্বমিত্র চাকমা বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা আমাকে বলেছেন বিরোধী পক্ষের কথায় কান না দিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে। তাই আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছি।’ তিনি আরও দাবি করেন, ডাকসুর গঠনতন্ত্র পদত্যাগকে সমর্থন করে না। তবে বিষয়টি গঠনতন্ত্রের কোন ধারায় উল্লিখিত আছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমার স্পষ্ট জানা নেই।’ এদিকে ডাকসুর গঠনতন্ত্রের ১২(খ) ধারায় বলা হয়েছে, কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো সদস্য বা পদাধিকারী পদত্যাগ করলে, মৃত্যুবরণ করলে বা অপসারিত হলে তার অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য প্রচলিত নির্বাচন পদ্ধতিতে শূন্যপদ পূরণ করা হবে। অপরদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন,
নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সমালোচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েও সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে একাধিক গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি দাবি করেন, এখনো শিক্ষার্থীদের একটি অংশ তার পদত্যাগ ‘চায় না’। তাদের মতে, এভাবে পদত্যাগ করা হলে তা ‘গণবিরোধী’ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ‘প্রতারণার’ শামিল হবে।
সর্বমিত্র চাকমা বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা আমাকে বলেছেন বিরোধী পক্ষের কথায় কান না দিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে। তাই আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছি।’
তিনি আরও দাবি করেন, ডাকসুর গঠনতন্ত্র পদত্যাগকে সমর্থন করে না। তবে বিষয়টি গঠনতন্ত্রের কোন ধারায় উল্লিখিত আছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমার স্পষ্ট জানা নেই।’
এদিকে ডাকসুর গঠনতন্ত্রের ১২(খ) ধারায় বলা হয়েছে, কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো সদস্য বা পদাধিকারী পদত্যাগ করলে, মৃত্যুবরণ করলে বা অপসারিত হলে তার অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য প্রচলিত নির্বাচন পদ্ধতিতে শূন্যপদ পূরণ করা হবে।
অপরদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, যদি কেউ নিজ ইচ্ছায় পদত্যাগ করতে চান তাহলে তার কোনো বাধা নেই।
এর আগে গত নভেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বহিরাগত ও ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদের সময় গভীর রাতে এক বৃদ্ধকে লাঠি হাতে শাসানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। সবশেষ কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বহিরাগত ২৫-৩০ জন কিশোরদের কানে ধরিয়ে উঠবস করানোর ঘটনায় ফের সমালোচনার মুখে পড়ে সর্বমিত্র।
What's Your Reaction?