পদ্মার ৩৫ কেজির কাতল সাড়ে ৭৩ হাজার টাকায় বিক্রি
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীর ৩৫ কেজি ওজনের একটি কাতল ৭৩ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) কাতলটি বিক্রি করেন দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকার মাছ ব্যবসায়ী শাজাহান শেখ। জানা গেছে, জেলে জমির হালদার সঙ্গীদের নিয়ে রাতে পদ্মা নদীতে জাল ফেলেন। ভোরের দিকে তাদের জালে বড় আকারের কাতল মাছটি আটকা পড়ে। পরে মাছটি দৌলতদিয়া মৎস্য আড়তে নিয়ে এলে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ প্রতি কেজি ২ হাজার টাকা দরে মোট ৭০ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন। এরপর তিনি খুলনার এক ক্রেতার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে প্রতি কেজি ২ হাজার ১০০ টাকা দরে মোট ৭৩ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করেন। মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ বলেন, পদ্মা নদীর তাজা কাতল মাছের চাহিদা সবসময়ই বেশি। ৩৫ কেজি ওজনের এত বড় কাতল সচরাচর পাওয়া যায় না। তাই বেশি দাম হলেও মাছটি কিনেছি। ৭০ হাজার টাকায় কিনে ৭৩ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করেছি। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুব উল হক বলেন, পদ্মা নদীতে মাঝে-মধ্যে বড় আকারের কাতলসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে। নদীতে মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণ কার্যক্রম জোরদার হওয়ায় বড় মাছের দেখা মিলছে। এতে জেলেরা যেম
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীর ৩৫ কেজি ওজনের একটি কাতল ৭৩ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) কাতলটি বিক্রি করেন দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকার মাছ ব্যবসায়ী শাজাহান শেখ।
জানা গেছে, জেলে জমির হালদার সঙ্গীদের নিয়ে রাতে পদ্মা নদীতে জাল ফেলেন। ভোরের দিকে তাদের জালে বড় আকারের কাতল মাছটি আটকা পড়ে। পরে মাছটি দৌলতদিয়া মৎস্য আড়তে নিয়ে এলে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ প্রতি কেজি ২ হাজার টাকা দরে মোট ৭০ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন। এরপর তিনি খুলনার এক ক্রেতার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে প্রতি কেজি ২ হাজার ১০০ টাকা দরে মোট ৭৩ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করেন।
মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ বলেন, পদ্মা নদীর তাজা কাতল মাছের চাহিদা সবসময়ই বেশি। ৩৫ কেজি ওজনের এত বড় কাতল সচরাচর পাওয়া যায় না। তাই বেশি দাম হলেও মাছটি কিনেছি। ৭০ হাজার টাকায় কিনে ৭৩ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করেছি।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুব উল হক বলেন, পদ্মা নদীতে মাঝে-মধ্যে বড় আকারের কাতলসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে। নদীতে মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণ কার্যক্রম জোরদার হওয়ায় বড় মাছের দেখা মিলছে। এতে জেলেরা যেমন ভালো দাম পাচ্ছেন, তেমনি পদ্মার মাছের সুনামও বজায় থাকছে।
What's Your Reaction?