পদ্মায় স্পিডবোটের ইঞ্জিন লুট, যাত্রীকে কুপিয়ে জখম
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীতে একটি যাত্রীবাহী স্পিডবোটে হামলা চালিয়ে এক যাত্রীকে আহত করে নগদ টাকা, মোবাইল ও স্পিডবোটের ইঞ্জিন লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (০৯ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার চরঝাউকান্দা ইউনিয়নের পদ্মা নদীর জলসীমার বালুর টেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ডাকাতদের হামলায় আহত হন সদর ইউনিয়নের নছরউদ্দিন মুন্সির ডাঙ্গী গ্রামের কামরুল হাসানের ছেলে মো. লিটন (৩৫)। এ ঘটনায় স্পিডবোটচালক সঞ্জিব (২২) প্রাণে বাঁচতে চরে আশ্রয় নেন। তিনি সদর ইউনিয়নের খালাশিডাঙ্গী গ্রামের অভিমান্যুর ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে গোপালপুর ঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে মৈনট ঘাটে যান স্পিডবোটচালক সঞ্জিব। সেখানে একজন যাত্রী নিয়ে ফের গোপালপুর ঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে পদ্মা নদীর বালুর টেক এলাকায় পৌঁছালে মাওয়ার দিক থেকে আসা ১০ থেকে ১৫ জন আরোহী নিয়ে একটি বড় স্পিডবোট তাদের ধাওয়া করে।
পরিস্থিতি বুঝতে পেরে সঞ্জিব স্পিডবোটটি কাছের একটি চরে ভিড়িয়ে প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে চরের ভেতরে আশ্রয় নেন। এসময় একমাত্র যাত্রী লিটন স্পিডবোটে অবস্থান করছিলেন।
বুধবার দুপুরে লিট
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীতে একটি যাত্রীবাহী স্পিডবোটে হামলা চালিয়ে এক যাত্রীকে আহত করে নগদ টাকা, মোবাইল ও স্পিডবোটের ইঞ্জিন লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (০৯ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার চরঝাউকান্দা ইউনিয়নের পদ্মা নদীর জলসীমার বালুর টেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ডাকাতদের হামলায় আহত হন সদর ইউনিয়নের নছরউদ্দিন মুন্সির ডাঙ্গী গ্রামের কামরুল হাসানের ছেলে মো. লিটন (৩৫)। এ ঘটনায় স্পিডবোটচালক সঞ্জিব (২২) প্রাণে বাঁচতে চরে আশ্রয় নেন। তিনি সদর ইউনিয়নের খালাশিডাঙ্গী গ্রামের অভিমান্যুর ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে গোপালপুর ঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে মৈনট ঘাটে যান স্পিডবোটচালক সঞ্জিব। সেখানে একজন যাত্রী নিয়ে ফের গোপালপুর ঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে পদ্মা নদীর বালুর টেক এলাকায় পৌঁছালে মাওয়ার দিক থেকে আসা ১০ থেকে ১৫ জন আরোহী নিয়ে একটি বড় স্পিডবোট তাদের ধাওয়া করে।
পরিস্থিতি বুঝতে পেরে সঞ্জিব স্পিডবোটটি কাছের একটি চরে ভিড়িয়ে প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে চরের ভেতরে আশ্রয় নেন। এসময় একমাত্র যাত্রী লিটন স্পিডবোটে অবস্থান করছিলেন।
বুধবার দুপুরে লিটনের বাড়িতে গিয়ে জানা যায়, বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ঢাকায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রদান শেষে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। গোপালপুর ঘাটে সন্ধ্যার পর পৌঁছালে ফিরতি স্পিডবোটের চালক তার কাছে এক হাজার টাকা ভাড়া দাবি করেন। পরে ৬০০ টাকায় ভাড়া নির্ধারণ করে যাত্রা শুরু হয়।
লিটন জানান, কিছু দূর যাওয়ার পর একটি স্পিডবোট তাদের ধাওয়া করলে চালক নেমে যান। এরপর ডাকাতরা তাকে ঘিরে ফেলে। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার বাম হাতের কনুইয়ের ওপরে গুরুতর জখম হয়। পরে তার কাছে থাকা ১২ হাজার টাকা, একটি মোবাইল এবং প্রায় চার লাখ টাকা মূল্যের স্পিডবোটের ইঞ্জিন খুলে নিয়ে যায় ডাকাতরা।
তিনি আরও জানান, ডাকাতদের অনুরোধ করলে তারা তাকে একটি জেলে নৌকায় তুলে মৈনট ঘাটে পাঠিয়ে দেয়। পরে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে দোহার নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে আশ্রয় নেন।
ভুক্তভোগী লিটন বলেন, আমাদের এই রুটে নৌ-পুলিশের তৎপরতা খুবই কম। নিয়মিত টহল ও নজরদারি থাকলে হয়তো এমন ঘটনা ঘটত না।
চরভদ্রাসন থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সন্ধ্যার পর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান মোল্যা পদ্মায় ডাকাতির বিষয়টি জানালে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পরে পদ্মা নদীর মাঝের একটি চরসংলগ্ন এলাকা থেকে ইঞ্জিনবিহীন স্পিডবোট ও চালককে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নৌ-পুলিশ দপ্তরে অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ফরিদপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক নাসিম আহাম্মেদ বলেন, খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।