পরাজিত প্রার্থীর বাসায় মিষ্টি নিয়ে হাজির বিজয়ী প্রার্থী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আলহাজ্ব শফিকুর রহমান কিরন নির্বাচনের পরই ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক সৌজন্যের নজির স্থাপন করেছেন। ফলাফল ঘোষণার একদিনের মধ্যেই তিনি পরাজিত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউলের বাসভবনে গিয়ে শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে সখিপুর উপজেলার চরভাগা এলাকায় ডা. বকাউলের নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মিষ্টি হাতে উপস্থিত হন কিরন।
হঠাৎ এ আগমনে সেখানে তৈরি হয় আন্তরিক ও আনন্দঘন পরিবেশ। দুই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর কুশল বিনিময়, করমর্দন ও শুভেচ্ছা আদান-প্রদানে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে ইতিবাচক বার্তা।
শফিকুর রহমান কিরন বলেন, নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। জনগণ যাকে যোগ্য মনে করেছেন তাকেই দায়িত্ব দিয়েছেন। তবে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা কখনো ব্যক্তিগত শত্রুতা নয়। আমরা সবাই নড়িয়া-সখিপুরের সন্তান। এই জনপদের উন্নয়ন, শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষা করাই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য। মতভেদ থাকলেও এলাকার স্বার্থে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী আলহাজ্ব শফিকুর রহমান কিরন নির্বাচনের পরই ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক সৌজন্যের নজির স্থাপন করেছেন। ফলাফল ঘোষণার একদিনের মধ্যেই তিনি পরাজিত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউলের বাসভবনে গিয়ে শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে সখিপুর উপজেলার চরভাগা এলাকায় ডা. বকাউলের নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মিষ্টি হাতে উপস্থিত হন কিরন।
হঠাৎ এ আগমনে সেখানে তৈরি হয় আন্তরিক ও আনন্দঘন পরিবেশ। দুই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর কুশল বিনিময়, করমর্দন ও শুভেচ্ছা আদান-প্রদানে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে ইতিবাচক বার্তা।
শফিকুর রহমান কিরন বলেন, নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। জনগণ যাকে যোগ্য মনে করেছেন তাকেই দায়িত্ব দিয়েছেন। তবে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা কখনো ব্যক্তিগত শত্রুতা নয়। আমরা সবাই নড়িয়া-সখিপুরের সন্তান। এই জনপদের উন্নয়ন, শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষা করাই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য। মতভেদ থাকলেও এলাকার স্বার্থে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থী ও কর্মীদের প্রতি তার শ্রদ্ধা রয়েছে। ভবিষ্যতে এলাকার যেকোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সকল রাজনৈতিক দল ও মতের মানুষের সহযোগিতা কামনা করছি।
ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউল বিজয়ী প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, জনগণের রায়ই গণতন্ত্রের আসল শক্তি। আমি সেই রায়কে সম্মান জানাই। নির্বাচন ছিল আদর্শ ও নীতির প্রতিযোগিতা, ব্যক্তিগত বিরোধের নয়। এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার রক্ষায় আমরা গঠনমূলক ভূমিকা রাখব এবং যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে সহযোগিতা করব।
সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ একসঙ্গে মিষ্টিমুখ করেন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। উপস্থিত নেতাকর্মীরাও এ ঘটনাকে স্বাগত জানান।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই মনে করছেন, নির্বাচনের পর এমন সৌজন্যমূলক উদ্যোগ রাজনৈতিক সহনশীলতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। নড়িয়া-সখিপুরের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এলাকায় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও উন্নয়নমুখী রাজনীতির জন্য এ ধরনের আচরণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, নির্বাচনের পর প্রতিপক্ষের বাড়িতে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে খুব বেশি দেখা যায় না। শরীয়তপুর-২ আসনে এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক চর্চার পথকে আরও সুগম করবে।