পরিত্যক্ত জমিতে সোলার প্যানেল বসিয়ে উৎপাদন হচ্ছে বিদ্যুৎ
রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিত্যক্ত জমিতে সোলার প্যানেল বসিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সফলতা এসেছে, যা দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কেন্দ্রটি স্থাপনের পর থেকে অদ্যাবধি ৬ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। সৌরশক্তির মাধ্যমে আরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। জানা যায়, রাঙামাটি পার্বত্য জেলার কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিত্যক্ত ২২ একর জায়গার মধ্যে ২০১৯ সালে সাড়ে ১৯ একর জায়গায় স্থাপন করা হয় ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই সোলার পাওয়ার প্লান্ট। এটি ছিল দেশের প্রথম অন গ্রিড সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র। যেখানে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়। এবার সেই ২২ একরের মধ্যে অবশিষ্ট আড়াই একর জায়গায় সোলারের মাধ্যমে আরও ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র জানা যায়, প্রতিদিন সূর্যের আলোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে থাকে। গ্রীষ্মকালে সূর্যের রোদের তেজ বেশি থাকলে উৎপাদনও বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন গড়ে ৬ দশমিক ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় কেন্দ্রটিতে। এটি স্থাপনের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৬ কোটি ইউনিট
রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিত্যক্ত জমিতে সোলার প্যানেল বসিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সফলতা এসেছে, যা দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কেন্দ্রটি স্থাপনের পর থেকে অদ্যাবধি ৬ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। সৌরশক্তির মাধ্যমে আরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
জানা যায়, রাঙামাটি পার্বত্য জেলার কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিত্যক্ত ২২ একর জায়গার মধ্যে ২০১৯ সালে সাড়ে ১৯ একর জায়গায় স্থাপন করা হয় ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই সোলার পাওয়ার প্লান্ট। এটি ছিল দেশের প্রথম অন গ্রিড সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র। যেখানে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়। এবার সেই ২২ একরের মধ্যে অবশিষ্ট আড়াই একর জায়গায় সোলারের মাধ্যমে আরও ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র জানা যায়, প্রতিদিন সূর্যের আলোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে থাকে। গ্রীষ্মকালে সূর্যের রোদের তেজ বেশি থাকলে উৎপাদনও বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন গড়ে ৬ দশমিক ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় কেন্দ্রটিতে। এটি স্থাপনের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৬ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। যার বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৬০ কোটি টাকা। পুনরায় ব্যবহার যোগ্য শক্তির কারণে সোলারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে।
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, বাংলাদেশে সোলার বিদ্যুৎ উৎপাদন দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে কাপ্তাই হ্রদের পানির ওপর নির্ভর করে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু রাখতে হলেও, সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে এইক্ষেত্রে নির্ভর হতে হয় না। তাই এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। আগামীতে এই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিধি আরও বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ১১১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় এই সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। এটি বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (BPDB) কর্তৃক নির্মিত, যা নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছে।
What's Your Reaction?