পরীক্ষায় প্রক্সি দেওয়ার অপরাধে সুপ্রিম কোর্টের অফিস সহকারী বরখাস্ত
সুপ্রিম কোর্টে কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষায় অন্য ব্যক্তির হয়ে প্রক্সি দিয়ে অংশ নেওয়ার দায়ে দণ্ডিত হাইকোর্ট বিভাগের অফিস সহকারী মো. আলমগীর হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) এ বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মো. আলমগীর হোসেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া শাহবাগ থানার সি.আর. মামলা নং-১৩৪০/২০২৬ (শাহবাগ)-এ গত ৫ জুন স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত তাকে ডিএমপি অধ্যাদেশ, ১৯৭৬-এর ৭৫ ধারা এবং দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১৭ ধারায় ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তিনি সুপ্রিম কোর্টে কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষায় প্রতারণার মাধ্যমে অন্য একজন প্রার্থীর হয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষা বোর্ডের সদস্যদের সন্দেহ হলে প্রবেশপত্র যাচাই করে দেখা যায়, সেটি তার নয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। প্রাথমিক তদন্তে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অসাধু উপায়ে সরকারি চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এ সময় তিনি পরীক্ষা বোর
সুপ্রিম কোর্টে কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষায় অন্য ব্যক্তির হয়ে প্রক্সি দিয়ে অংশ নেওয়ার দায়ে দণ্ডিত হাইকোর্ট বিভাগের অফিস সহকারী মো. আলমগীর হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) এ বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মো. আলমগীর হোসেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া শাহবাগ থানার সি.আর. মামলা নং-১৩৪০/২০২৬ (শাহবাগ)-এ গত ৫ জুন স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত তাকে ডিএমপি অধ্যাদেশ, ১৯৭৬-এর ৭৫ ধারা এবং দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১৭ ধারায় ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তিনি সুপ্রিম কোর্টে কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষায় প্রতারণার মাধ্যমে অন্য একজন প্রার্থীর হয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষা বোর্ডের সদস্যদের সন্দেহ হলে প্রবেশপত্র যাচাই করে দেখা যায়, সেটি তার নয়।
জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। প্রাথমিক তদন্তে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অসাধু উপায়ে সরকারি চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
এ সময় তিনি পরীক্ষা বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে অশোভন ভাষা ব্যবহার এবং অসংযত আচরণও করেন।
সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মতে, তার এ কর্মকাণ্ড সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা পরিপন্থি, অসদাচরণের শামিল এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এফএইচ/এএমএ
What's Your Reaction?