পর্ব-১ আকতার পারভেজের গল্প- অভয় নগরের একটি বাড়ি !
পুরান ঢাকার অভয় নগরে (পুরোনো নাম) একটি বাড়ি আছে— বাড়িটা আজও দাঁড়িয়ে, কিন্তু কেউ তার ইতিহাস জানতে চায় না। ১৯১৮ সালের কথা। বাড়ির মালিক ছিলেন মোহন কুমার, সবাই তাকে চিনত যতিমোহন নামে। কারণ তার স্ত্রী যতি ছিল তার জীবনের সবটুকু। সন্তান না থাকলেও সমাজের চাপে দ্বিতীয় বিয়ে করেননি তিনি। কলেরার ভয়াবহ সময়ে কাশী থেকে ফিরে এসেই যতি মারা যায়। এক মাস পর, গভীর রাতে, যতিমোহন নিজের বাগানবাড়ির দ্বিতীয় তলায় গলায় দড়ি দেয়। অজ পাড়া, যুদ্ধের ভয়, আত্মহত্যা— তার দেহের কোনো ধর্মীয় সৎকার হয়নি। বছরের পর বছর বাড়িটা পড়ে থাকে পরিত্যক্ত। লোকেরা বলতে শুরু করে— রাতে ওপর থেকে কাঠের শব্দ আসে, কারও হাঁটার আওয়াজ শোনা যায়। ১৯৭২ সালে বাড়িটা সরকারি হয়। নিচতলায় পুলিশ ফাঁড়ি বসে, উপরতলায় থাকার ব্যবস্থা কর্মরত কনস্টেবলদের। কিন্তু কেউ বেশিদিন থাকতে পারেনি। কারণ— রাতে আলো নিভলেই মেঝেতে মড়-মড় শব্দ শুরু হয়।কারা জানি কথা বলে... কিন্তু কি বলে তা বোঝা যায় না,! পরবর্তীতে সরকার বাধ্য হয়েই পুলিশ পার্টি বন্ধ করে দেয়, অনেকদিন পরিত্যক্ত থাকার পর জায়গার অভাবে বর্তমানে … এখন উপরের তলায় তালা। নিচতলায
পুরান ঢাকার অভয় নগরে (পুরোনো নাম) একটি বাড়ি আছে—
বাড়িটা আজও দাঁড়িয়ে, কিন্তু কেউ তার ইতিহাস জানতে চায় না।
১৯১৮ সালের কথা।
বাড়ির মালিক ছিলেন মোহন কুমার, সবাই তাকে চিনত যতিমোহন নামে। কারণ তার স্ত্রী যতি ছিল তার জীবনের সবটুকু। সন্তান না থাকলেও সমাজের চাপে দ্বিতীয় বিয়ে করেননি তিনি।
কলেরার ভয়াবহ সময়ে কাশী থেকে ফিরে এসেই যতি মারা যায়।
এক মাস পর, গভীর রাতে, যতিমোহন নিজের বাগানবাড়ির দ্বিতীয় তলায় গলায় দড়ি দেয়।
অজ পাড়া, যুদ্ধের ভয়, আত্মহত্যা—
তার দেহের কোনো ধর্মীয় সৎকার হয়নি।
বছরের পর বছর বাড়িটা পড়ে থাকে পরিত্যক্ত।
লোকেরা বলতে শুরু করে—
রাতে ওপর থেকে কাঠের শব্দ আসে,
কারও হাঁটার আওয়াজ শোনা যায়।
১৯৭২ সালে বাড়িটা সরকারি হয়।
নিচতলায় পুলিশ ফাঁড়ি বসে,
উপরতলায় থাকার ব্যবস্থা কর্মরত কনস্টেবলদের।
কিন্তু কেউ বেশিদিন থাকতে পারেনি।
কারণ—
রাতে আলো নিভলেই
মেঝেতে মড়-মড় শব্দ শুরু হয়।কারা জানি কথা বলে... কিন্তু কি বলে তা বোঝা যায় না,!
পরবর্তীতে সরকার বাধ্য হয়েই পুলিশ পার্টি বন্ধ করে দেয়, অনেকদিন পরিত্যক্ত থাকার পর জায়গার অভাবে বর্তমানে …
এখন উপরের তলায় তালা।
নিচতলায় ভূমি অফিস। দিনের বেলা অফিস কার্যক্রম চললেও সন্ধ্যার পর বন্ধ রাখতে হয়!
তবু…
শব্দ থামে না, চলেও স্পষ্ট আওয়াজ, যেন কেউ কথা বলছে ফিসফিস করে...
(চলবে…)
What's Your Reaction?