পলায়নের অভিযোগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা বরখাস্ত

দীর্ঘদিন বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার (পলায়ন) অভিযোগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।  রোববার (১৯ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তার বরখাস্তের আদেশ ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট, অর্থাৎ কর্মস্থলে অনুপস্থিত হওয়ার দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ সেবা-১ অধিশাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট থেকে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তার জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত হয়নি। এরপর ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ এর ৩(গ) বিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়। তদন্ত শেষে গত ফেব্রুয়ারিতে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে আনা পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। পরে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবও সন্তোষজনক না হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার ৪(৩)(ঘ) বিধি অন

পলায়নের অভিযোগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা বরখাস্ত

দীর্ঘদিন বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার (পলায়ন) অভিযোগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। 

রোববার (১৯ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তার বরখাস্তের আদেশ ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট, অর্থাৎ কর্মস্থলে অনুপস্থিত হওয়ার দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ সেবা-১ অধিশাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট থেকে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তার জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত হয়নি।

এরপর ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ এর ৩(গ) বিধি অনুযায়ী ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়। তদন্ত শেষে গত ফেব্রুয়ারিতে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে আনা পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

পরে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবও সন্তোষজনক না হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার ৪(৩)(ঘ) বিধি অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) মতামতে ওই গুরুদণ্ডের পক্ষে সম্মতি পাওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ চূড়ান্তভাবে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

আরএমএম/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow