পশ্চিমবঙ্গে কোরবানির বাজারে হাহাকার, শুভেন্দুর সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পর ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গরু কেনাবেচা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে রাজ্যের হিন্দু গরু ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে দীর্ঘদিন ধরে গরু মোটাতাজা করে আসা ব্যবসায়ীরা এবার বিক্রি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় হতাশা প্রকাশ করছেন। বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। সোমবার (১৮ মে) দ্য ওয়ালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের নবগঠিত সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণমন্ত্রী অগ্নিমিত্র পাল বলেন, পরিস্থিতিটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে পর্যবেক্ষণ করছেন। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে সরকার একটি সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা নেওয়া হবে। তবে বিস্তারিত বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই কথা বলবেন। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে বহু হিন্দু পরিবার প্রতিবছর কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গরু মোটাতাজা করে থাকেন। এতদিন এ নিয়ে তেমন কোনো সমস্যা
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পর ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গরু কেনাবেচা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে রাজ্যের হিন্দু গরু ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে দীর্ঘদিন ধরে গরু মোটাতাজা করে আসা ব্যবসায়ীরা এবার বিক্রি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় হতাশা প্রকাশ করছেন। বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।
সোমবার (১৮ মে) দ্য ওয়ালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের নবগঠিত সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণমন্ত্রী অগ্নিমিত্র পাল বলেন, পরিস্থিতিটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে পর্যবেক্ষণ করছেন। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে সরকার একটি সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা নেওয়া হবে। তবে বিস্তারিত বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই কথা বলবেন।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে বহু হিন্দু পরিবার প্রতিবছর কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গরু মোটাতাজা করে থাকেন। এতদিন এ নিয়ে তেমন কোনো সমস্যা না হলেও সম্প্রতি রাজ্য সরকারের নতুন নির্দেশনার পর বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
কয়েকদিন আগে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার একটি নির্দেশনা জারি করে। সেখানে বলা হয়, অনুমতি ছাড়া কোনো গরু বা মহিষ জবাই করা যাবে না। পাশাপাশি গরু জবাইয়ের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স ১৪ বছর হতে হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
What's Your Reaction?