পহেলা বৈশাখ-মঙ্গল শোভাযাত্রা বিষয়ে জমিয়তের আহ্বান

পহেলা বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে সংবেদনশীলতা রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জমিয়ত সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এ আহ্বান জানান। তারা বলেন, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর জাতীয় সংসদে সাম্প্রতিক বক্তব্য গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা হয়েছে। উক্ত বক্তব্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের পরিপন্থী বলে প্রতীয়মান হয়। একটি বহুধর্মী ও বহুসাংস্কৃতিক সমাজে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে সকল নাগরিকের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা এবং কোনো নির্দিষ্ট সংস্কৃতি বা আচার-অনুষ্ঠান অন্য সম্প্রদায়ের ওপর চাপিয়ে না দেওয়া। জমিয়তের শীর্ষ দুই নেতা বলেন, পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসলেও এর সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো কার্যক্রম যদি নির্দিষ্ট ধর্মীয় রূপ ধারণ করে বা তা অন্য ধর্মাবলম্বীদের ওপর আরোপের চেষ্টা দেখা যায়, তাহলে তা স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’-কে যদি ধর্মীয় আচার হিসেবে উপস্থাপন করা হয়,

পহেলা বৈশাখ-মঙ্গল শোভাযাত্রা বিষয়ে জমিয়তের আহ্বান

পহেলা বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে সংবেদনশীলতা রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জমিয়ত সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এ আহ্বান জানান।

তারা বলেন, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর জাতীয় সংসদে সাম্প্রতিক বক্তব্য গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা হয়েছে। উক্ত বক্তব্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের পরিপন্থী বলে প্রতীয়মান হয়। একটি বহুধর্মী ও বহুসাংস্কৃতিক সমাজে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে সকল নাগরিকের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা এবং কোনো নির্দিষ্ট সংস্কৃতি বা আচার-অনুষ্ঠান অন্য সম্প্রদায়ের ওপর চাপিয়ে না দেওয়া।

জমিয়তের শীর্ষ দুই নেতা বলেন, পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসলেও এর সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো কার্যক্রম যদি নির্দিষ্ট ধর্মীয় রূপ ধারণ করে বা তা অন্য ধর্মাবলম্বীদের ওপর আরোপের চেষ্টা দেখা যায়, তাহলে তা স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’-কে যদি ধর্মীয় আচার হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, তবে সেটিকে সকলের জন্য বাধ্যতামূলক করার যে কোনো চেষ্টা অনুচিত এবং সংবেদনশীলতার পরিপন্থি।

সংশ্লিষ্টদের প্রতি সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে তারা আরও বলেন, দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। উসকানিমূলক বক্তব্য বা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা এবং পারস্পরিক সহনশীলতা ও শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে এগিয়ে যাওয়াই বর্তমান সময়ের দাবি। ভবিষ্যতে যেন এমন কোনো বক্তব্য বা উদ্যোগ গ্রহণ করা না হয়, যা দেশের সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow