পাঁচ টাকার জন্য খুন, আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

মাত্র ৫ টাকার জন্য খুনের অভিযোগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার করা মামলায় আসামি মো. কাজলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকার ১১ নম্বর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. নূরুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। দণ্ডের পাশাপাশি আসামি ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামি ২০১৮ সালের ২৫ মার্চ থেকে জেলে আছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিকে কারাগারে থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আসামি কাজলের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার জারিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ফজর আলী ও মাতার নাম আয়েশা বেগম। মামলায় অভিযোগে বলা হয়, কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার দরিচর গ্রামের জুলহাস মিয়া শেরেবাংলা নগর থানার ২৫/বি ইন্দিরা রোড, ফার্মগেটের এক বাসায় ৩০ বছর কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৮ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যা পৌনে ৭টার সময় বাসার পাশের সিমেন্টের দোকান ‘রাজা অ্যান্ড কোং’ এর সামনে আসেন। তখন আসামি কাজল ভিকটিমের কাছে ৫ টাকা চান। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় আসামির হাতে থাকা একটি ধারালো ছুরি দিয়ে ভিকটিমের নাভিতে সজোরে আঘাত করে। এর ফলে ভিকটিম গুরুতর আঘাত

পাঁচ টাকার জন্য খুন, আসামিকে মৃত্যুদণ্ড

মাত্র ৫ টাকার জন্য খুনের অভিযোগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার করা মামলায় আসামি মো. কাজলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকার ১১ নম্বর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. নূরুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। দণ্ডের পাশাপাশি আসামি ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত আসামি ২০১৮ সালের ২৫ মার্চ থেকে জেলে আছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিকে কারাগারে থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আসামি কাজলের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার জারিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ফজর আলী ও মাতার নাম আয়েশা বেগম।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়, কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার দরিচর গ্রামের জুলহাস মিয়া শেরেবাংলা নগর থানার ২৫/বি ইন্দিরা রোড, ফার্মগেটের এক বাসায় ৩০ বছর কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৮ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যা পৌনে ৭টার সময় বাসার পাশের সিমেন্টের দোকান ‘রাজা অ্যান্ড কোং’ এর সামনে আসেন। তখন আসামি কাজল ভিকটিমের কাছে ৫ টাকা চান। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় আসামির হাতে থাকা একটি ধারালো ছুরি দিয়ে ভিকটিমের নাভিতে সজোরে আঘাত করে। এর ফলে ভিকটিম গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে রাস্তায় লুটাইয়া পড়ে। এসময় আহতকে পথচারীরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনার নিহতের ছেলে মো. সাইফুল রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরদিন তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হলে আসামি কাজল আদালতের কাছে ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একই বছরের ৯ জুন মামলাটি তদন্ত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক মো. সুজানুল ইসলাম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জগঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচারকালে ১৫ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow