পাঁচ মাসে ‘বহুমাত্রিক অর্জনের’ দাবি সরকারের
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের পাঁচ মাসে জনগণের আস্থা, নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন, রাষ্ট্র সংস্কার, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব- এই পাঁচটি ক্ষেত্রকে সরকারের বহুমাত্রিক অর্জন হিসেবে দেখছে সরকার। শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যের শুরুতে মাহদী আমিন ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে নিহতদের স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দুই বছর আগে ১৮ জুলাই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়েছিল। রংপুরে আবু সাঈদ, চট্টগ্রামে ওয়াসিম আকরাম, ঢাকায় ফারহান ফাইয়াজসহ নিহতদের আত্মত্যাগের মধ্যদিয়ে আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং ফ্যাসিবাদী শক্তির পতন ঘটে। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্দোলনে বিএনপির প্রায় ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানে দলের ৪০০-এর বেশি নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছাত্রদলের ১৪০ জনের বেশি রয়েছেন। আরও পড়ুন ইশ
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের পাঁচ মাসে জনগণের আস্থা, নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন, রাষ্ট্র সংস্কার, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব- এই পাঁচটি ক্ষেত্রকে সরকারের বহুমাত্রিক অর্জন হিসেবে দেখছে সরকার।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের শুরুতে মাহদী আমিন ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে নিহতদের স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দুই বছর আগে ১৮ জুলাই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়েছিল। রংপুরে আবু সাঈদ, চট্টগ্রামে ওয়াসিম আকরাম, ঢাকায় ফারহান ফাইয়াজসহ নিহতদের আত্মত্যাগের মধ্যদিয়ে আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং ফ্যাসিবাদী শক্তির পতন ঘটে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্দোলনে বিএনপির প্রায় ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানে দলের ৪০০-এর বেশি নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছাত্রদলের ১৪০ জনের বেশি রয়েছেন।
মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের ১৫০ দিন পূর্ণ হয়েছে। এই সময়ে সরকার স্বচ্ছতা, সুশাসন, জনকল্যাণ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা, বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যয় সাশ্রয়, বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাত পুনর্গঠনে কাজ করছে।
জনগণের আস্থা ও সমর্থন দাবি
সরকারের প্রথম অর্জন হিসেবে তিনি জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও সমর্থনের কথা তুলে ধরেন। তার দাবি, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে।
এসময় তিনি বলেন, শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ১৯ দিনে এবং মেহেরপুরের একটি শিশুধর্ষণ মামলার রায় ২৯ কার্যদিবসে সম্পন্ন হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় এক মাসে ১০টি রায় ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি মোজাফফর হোসেনকে ৪৫ বছর পর গ্রেফতার করা হয়েছে। তনু হত্যা মামলার আসামি, শরিফ ওসমান হাদী হত্যা মামলার আসামি এবং সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন।
বক্তব্যে বলা হয়, সংসদে ‘জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি আইন’ এবং ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল’ পাস হয়েছে। আওয়ামী লীগের রাজনীতির বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়াও চলমান বলে জানান তিনি।
এছাড়া সংসদের প্রথম ২৫ কার্যদিবসে ৯৪টি বিল পাস, জঙ্গল সলিমপুর সন্ত্রাসমুক্ত করা, পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, ঢাকায় ২৫০টি বৈদ্যুতিক বাস চালুর ঘোষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, চট্টগ্রাম বন্দরে স্বয়ংক্রিয় কার্গো রিলিজ ব্যবস্থা, চারটি আন্তজেলা বাস টার্মিনাল মহানগরের বাইরে স্থানান্তরের নির্দেশ, মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে নামা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হওয়া, মার্চে ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এবং মন্ত্রীদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট সুবিধা প্রত্যাখ্যানের বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়।
ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতির দাবি
সরকারের দ্বিতীয় অর্জন হিসেবে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া কার্ড এবং প্রবাসীদের জন্য প্রবাসী কার্ড চালু করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে সমন্বিত ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি ১২ লাখ ক্ষুদ্র কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ, নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ঋণ, দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে রাষ্ট্রীয় আইডি, ৫৫ লাখ পরিবারকে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল, ইমাম-মুয়াজ্জিন ও বিভিন্ন ধর্মের উপাসকদের মাসিক ভাতা, সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও পাটের ব্যাগ, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’, পথশিশু পুনর্বাসনে ৪২০ কোটি টাকার প্রকল্প, জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণার কথা তুলে ধরেন।
এছাড়াও অনার্স পর্যন্ত ছাত্রীদের বিনামূল্যে শিক্ষা, স্মার্ট ক্লাসরুম, ফ্রি ওয়াই-ফাই, মিড-ডে মিল, নতুন পাঠ্যপুস্তক, স্পোর্টস ভিলেজ, বিদেশে উচ্চশিক্ষায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ, ৫০০ কোটি টাকার স্টার্ট-আপ তহবিল, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য মেট্রোরেলে ২৫ শতাংশ ভাড়া ছাড়, হজযাত্রীদের বিমানভাড়া কমানো, কর্মসংস্থানের জন্য এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ, ‘পিংক বাস সার্ভিস’র কথাও বলেন তিনি।
পাশাপাশি এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, সরকারি হাসপাতালে বিনা মূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা, ২০০ সরকারি ভবনকে চিকিৎসাকেন্দ্রে রূপান্তর, জাতীয় পল্লি উন্নয়ন দিবস, দুই হাজার মিনি কোল্ডস্টোরেজ, প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত চার্জ প্রত্যাহার, উপজেলা হাসপাতাল উন্নয়ন, ইউনিয়নভিত্তিক স্বাস্থ্য ইউনিট, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প এবং পাঁচ বছরে পাঁচ হাজার মেগাওয়াট রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন মাহদী আমিন।
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাফল্যের দাবি
সরকারের তৃতীয় অর্জন হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যেও দেশে জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা হয়েছে। রমজান ও ঈদে বাজার নিয়ন্ত্রণ, নারীদের জন্য পৃথক রেল কোচ, শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ, কোরবানির ঈদে ভারতীয় গরুর অবৈধ প্রবেশ বন্ধ, পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ, ধর্মীয় অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজন, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি নিত্যপণ্যে কর কমানো, ব্যাংক পুনঃমূলধনীকরণে ৪০ হাজার কোটি টাকার তহবিল, বন্ধ শিল্পকারখানা চালুর উদ্যোগ, ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬’ পাস, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের এবং ১০ শিল্পগোষ্ঠীর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ, পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি, প্রায় শতভাগ শিশুকে হামের টিকা, শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, রিজার্ভ বৃদ্ধি, ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ২০ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি এবং আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন।
সার্বভৌমত্ব ও কূটনীতিতে অগ্রগতির দাবি
চতুর্থ অর্জন হিসেবে মাহদী আমিন বলেন, সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি অনুসরণ করে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরে লালগালিচা সংবর্ধনা, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে অংশগ্রহণ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মূলধন প্রত্যাহারের সুবিধা, ভারতের ভিসা সেবা পুনরায় চালু, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, ৩৩ দফা যৌথ বিবৃতি, চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক, ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাবের কথাও বলেন তিনি।
এছাড়া তিস্তা মহাপরিকল্পনা, ‘ককাস অব আমেরিকা’ গঠন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার উদ্যোগ, মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বৈঠক, পাসপোর্টে ‘এক্সেপ্ট ইসরাইল’ পুনর্বহাল, গ্রাউন্ড মাস্টার-৪০০ রাডার স্থাপন, নারিতা রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু, ব্যবসা নিবন্ধনের সময় ১৪ দিনে নামিয়ে আনা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার বিষয়গুলো তুলে ধরেন মাহদী আমিন।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা
সরকারের পঞ্চম অর্জন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মাহদী আমিন।
তিনি খাল পুনঃখনন কর্মসূচি, বন্যাদুর্গতদের সহায়তা, নারী উদ্যোক্তাদের ঋণের কিস্তি মওকুফ, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও জেলেদের সহায়তা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সড়কে ট্রাফিক আইন মেনে চলা, প্রটোকল কমানো, শিশুদের সংসদ অধিবেশন দেখার সুযোগ, প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল, স্টার্ট-আপ ও আইডিয়া প্রতিযোগিতা, বিরোধীদলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ, সংসদীয় রীতিনীতির প্রতি সম্মান, সরকারি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ, প্রাণীকল্যাণে ফ্রি অ্যানিমেল ক্লিনিক, জাতীয় সংসদের দর্শক গ্যালারির নামকরণ, ২০২৬-২৭ অর্থবছরকে ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা এবং সেনাবাহিনীর মহড়ায় অংশগ্রহণের বিষয়গুলো সরকারের নেতৃত্বের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
মাহদী আমিন আরও বলেন, একটি ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে মাত্র পাঁচ মাসে এই কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে জনগণের সমর্থন ও আস্থার কারণে। তিনি বলেন, গত ১৫০ দিনে সরকার কেবল সমস্যার সমাধানই করেনি, বরং একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপন করেছে।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও একই উদ্যম, দেশপ্রেম ও দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করবে সরকার। এসময় প্রধানমন্ত্রীর স্লোগান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
কেএইচ/ইএ
What's Your Reaction?



