পাওনা টাকার বিরোধে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা
চট্টগ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কর্ণফুলী থানার মইজ্জারটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই ব্যবসায়ীর নাম দিদারুল আলম (৪৫)। তিনি পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর গ্রামের মৃত আহমেদ মিয়ার ছেলে। নগরীর রেয়াজউদ্দিন বাজারের একজন পরিচিত ব্যবসায়ী ছিলেন তিনি।
এদিকে ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত ঘাতক মোহাম্মদ আবু তৈয়বকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দিদারুল আলম ও আবু তৈয়ব একসময় ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। দিদারুলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তৈয়ব কাজও করতেন। তবে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং একপর্যায়ে তৈয়বকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
শুক্রবার বিকেলে গ্রামের বাড়ি পটিয়া থেকে নগরীর বাসায় ফেরার পথে মইজ্জারটেক এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা আবু তৈয়ব তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষিতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন দিদারুল আলম।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক
চট্টগ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কর্ণফুলী থানার মইজ্জারটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই ব্যবসায়ীর নাম দিদারুল আলম (৪৫)। তিনি পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর গ্রামের মৃত আহমেদ মিয়ার ছেলে। নগরীর রেয়াজউদ্দিন বাজারের একজন পরিচিত ব্যবসায়ী ছিলেন তিনি।
এদিকে ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত ঘাতক মোহাম্মদ আবু তৈয়বকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দিদারুল আলম ও আবু তৈয়ব একসময় ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। দিদারুলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তৈয়ব কাজও করতেন। তবে অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং একপর্যায়ে তৈয়বকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
শুক্রবার বিকেলে গ্রামের বাড়ি পটিয়া থেকে নগরীর বাসায় ফেরার পথে মইজ্জারটেক এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা আবু তৈয়ব তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষিতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন দিদারুল আলম।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের চাচাতো ভাই আনোয়ার অভিযোগ করে বলেন, আবু তৈয়ব দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে আগেও মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছিল, যা তদন্তে প্রমাণিত হয়নি। শুক্রবার একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। দিদারুল আলমের তার চার কন্যাসন্তান ও বৃদ্ধ বাবা-মা রয়েছেন।
কর্ণফুলী থানার ওসি শাহিনুর আলম জানান, দেনা-পাওনা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।