পাকিস্তানের মধ্যস্থতার ভূমিকা নিয়ে ইসরায়েলের কড়া প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়ে ইসরায়েল কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ভারতের নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার স্পষ্ট জানিয়েছেন, তেল আবিব ইসলামাবাদকে কোনো “নির্ভরযোগ্য পক্ষ” হিসেবে দেখছে না। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমরা পাকিস্তানকে বিশ্বাসযোগ্য কোনো পক্ষ মনে করি না। ওয়াশিংটন হয়তো তাদের নিজস্ব কৌশলগত কারণে ইসলামাবাদকে ব্যবহার করছে।” আজার ট্রাম্প প্রশাসনের সময় কাতার ও তুরস্ককে ব্যবহার করার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করেছেন এবং বলেছেন, ইসরায়েলের কাছে এই রাষ্ট্রগুলো “সমস্যাকবলিত” হিসেবে বিবেচিত। ইরানের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা থাকলেও লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েল কঠোর অবস্থান বজায় রাখছে। তিনি বলেন, দক্ষিণ লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর সন্ত্রাসী অবকাঠামো নির্মূল করাই ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য, এবং ইরানের সঙ্গে আলোচনার সঙ্গে লেবানন অভিযানের কোনো সম্পর্ক নেই। “আমরা লিটানি নদীর দক্ষিণে হিজবুল্লাহর উপস্থিতি কোনোভাবেই মেনে নেব না।” সম্প্রতি ইসরায়েলি বিমান বাহিনী লেবাননে বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে ২৫০ এরও বেশি হিজবুল্লাহ সদস্যকে হত্যা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়ে ইসরায়েল কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ভারতের নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার স্পষ্ট জানিয়েছেন, তেল আবিব ইসলামাবাদকে কোনো “নির্ভরযোগ্য পক্ষ” হিসেবে দেখছে না।
সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমরা পাকিস্তানকে বিশ্বাসযোগ্য কোনো পক্ষ মনে করি না। ওয়াশিংটন হয়তো তাদের নিজস্ব কৌশলগত কারণে ইসলামাবাদকে ব্যবহার করছে।”
আজার ট্রাম্প প্রশাসনের সময় কাতার ও তুরস্ককে ব্যবহার করার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করেছেন এবং বলেছেন, ইসরায়েলের কাছে এই রাষ্ট্রগুলো “সমস্যাকবলিত” হিসেবে বিবেচিত।
ইরানের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা থাকলেও লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েল কঠোর অবস্থান বজায় রাখছে। তিনি বলেন, দক্ষিণ লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর সন্ত্রাসী অবকাঠামো নির্মূল করাই ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য, এবং ইরানের সঙ্গে আলোচনার সঙ্গে লেবানন অভিযানের কোনো সম্পর্ক নেই। “আমরা লিটানি নদীর দক্ষিণে হিজবুল্লাহর উপস্থিতি কোনোভাবেই মেনে নেব না।”
সম্প্রতি ইসরায়েলি বিমান বাহিনী লেবাননে বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে ২৫০ এরও বেশি হিজবুল্লাহ সদস্যকে হত্যা করার দাবি করেছে। ইসরায়েল জানায়, উত্তর সীমান্তে তাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণ জরুরি।
যদিও ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আলোচনাকে স্বাগত জানাচ্ছে, তাদের মূল নজর ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের ওপর। রাষ্ট্রদূতের মতে, এই দুটি “অস্তিত্ব রক্ষার হুমকি” দূর করাই আলোচনার সফল ফলাফল।
অন্যদিকে, ইরান অভিযোগ করেছে যে লেবাননে ইসরাইলি হামলা এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। তেহরান সতর্ক করে বলেছে, হামলা অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালিতে পুনরায় উত্তেজনা দেখা দিতে পারে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট করেছেন যে, লেবানন এই যুদ্ধবিরতির অংশ নয়।
উল্লেখ্য, আগামী ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের উপস্থিতিতে এই সরাসরি আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্রঃ এনডিটিভি।
What's Your Reaction?