পাকিস্তান সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান স্নায়ুযুদ্ধ: আগে পৌঁছাবে কে?

ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তুতি ঘিরে এক নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ওয়াশিংটন এবং তেহরান—উভয় পক্ষই পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠানোর বিষয়ে সবুজ সংকেত দিলেও শেষ মুহূর্তে এসে শুরু হয়েছে এক ধরনের ‘মনস্তাত্ত্বিক লড়াই’। সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন: পাকিস্তানের মাটিতে আগে পা রাখবে কারা? যুক্তরাষ্ট্র না ইরান? পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের মতে, আগামী বুধবার উচ্চপর্যায়ের এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। উভয় দেশের অগ্রগামী দল (সাপোর্ট স্টাফ) এরই মধ্যে ইসলামাবাদে এসে পৌঁছেছেন। তবে দুই দেশের মূল প্রতিনিধি দলের আগমন নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ওয়াশিংটন ত্যাগের বিষয়ে হোয়াইট হাউজ এখন পর্যন্ত চরম গোপনীয়তা বজায় রাখছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র মূলত কোনো ধরনের কূটনৈতিক বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে চাইছে। যদি মার্কিন প্রতিনিধি দল আগে ইসলামাবাদে পৌঁছে যায় এবং ইরান শেষ মুহূর্তে না আসার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তা ওয়াশিংটনের জন্য বড় লজ্জার কারণ হবে। অন্যদিকে, তেহরান তাদের অবস্থানে অনড়। ইরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেয়া হয়েছে, ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কি

পাকিস্তান সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান স্নায়ুযুদ্ধ: আগে পৌঁছাবে কে?

ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তুতি ঘিরে এক নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ওয়াশিংটন এবং তেহরান—উভয় পক্ষই পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠানোর বিষয়ে সবুজ সংকেত দিলেও শেষ মুহূর্তে এসে শুরু হয়েছে এক ধরনের ‘মনস্তাত্ত্বিক লড়াই’। সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন: পাকিস্তানের মাটিতে আগে পা রাখবে কারা? যুক্তরাষ্ট্র না ইরান?

পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের মতে, আগামী বুধবার উচ্চপর্যায়ের এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। উভয় দেশের অগ্রগামী দল (সাপোর্ট স্টাফ) এরই মধ্যে ইসলামাবাদে এসে পৌঁছেছেন। তবে দুই দেশের মূল প্রতিনিধি দলের আগমন নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ওয়াশিংটন ত্যাগের বিষয়ে হোয়াইট হাউজ এখন পর্যন্ত চরম গোপনীয়তা বজায় রাখছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র মূলত কোনো ধরনের কূটনৈতিক বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে চাইছে। যদি মার্কিন প্রতিনিধি দল আগে ইসলামাবাদে পৌঁছে যায় এবং ইরান শেষ মুহূর্তে না আসার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তা ওয়াশিংটনের জন্য বড় লজ্জার কারণ হবে।

অন্যদিকে, তেহরান তাদের অবস্থানে অনড়। ইরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেয়া হয়েছে, ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা আলোচনায় বসবে না। এই পূর্বশর্তই মূলত সফরের মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা
কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow