পাবনায় নকল দুধ তৈরির কারখানার সন্ধান, অভিযানে আটক ৩ 

পাবনার বেড়ার নাকালিয়া বাজারে নকল দুধ তৈরির ২টি কারখানার সন্ধান পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া অসংখ্য দুর্গন্ধযুক্ত পচা মিষ্টি জনসমক্ষে ধ্বংস করাসহ দোকান ২টি তালাবদ্ধ করে চাবি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের জিম্মায় রাখা হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এছাড়া দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত ক্রিম সেপারেটর মেশিন, ব্লেন্ডারসহ অন্যান্য অপচনশীল সরঞ্জাম জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। জানা যায়, জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর পাম অয়েল, ছানার পানি, ডালডা, আটা, ক্রিম ও সাবানের গুঁড়া মিশিয়ে কৃত্রিম দুধ তৈরি করা হচ্ছিল।   এদিকে নকল দুধ তৈরির সময় ৩ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তবে আটককৃতদের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক দণ্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত হবে না—এই মর্মে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা গ্রহণ করে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযানের খবর পেয়ে কারখানার মূল হোতা ও দোকানের মালিক হাফিজুর রহমান হীরা কৌশলে পালিয়ে যান। প্রশাসন জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে নি

পাবনায় নকল দুধ তৈরির কারখানার সন্ধান, অভিযানে আটক ৩ 
পাবনার বেড়ার নাকালিয়া বাজারে নকল দুধ তৈরির ২টি কারখানার সন্ধান পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া অসংখ্য দুর্গন্ধযুক্ত পচা মিষ্টি জনসমক্ষে ধ্বংস করাসহ দোকান ২টি তালাবদ্ধ করে চাবি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের জিম্মায় রাখা হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এছাড়া দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত ক্রিম সেপারেটর মেশিন, ব্লেন্ডারসহ অন্যান্য অপচনশীল সরঞ্জাম জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। জানা যায়, জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর পাম অয়েল, ছানার পানি, ডালডা, আটা, ক্রিম ও সাবানের গুঁড়া মিশিয়ে কৃত্রিম দুধ তৈরি করা হচ্ছিল।   এদিকে নকল দুধ তৈরির সময় ৩ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তবে আটককৃতদের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক দণ্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত হবে না—এই মর্মে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা গ্রহণ করে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযানের খবর পেয়ে কারখানার মূল হোতা ও দোকানের মালিক হাফিজুর রহমান হীরা কৌশলে পালিয়ে যান। প্রশাসন জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে। অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরেন মায়িশা খান বলেন, ‘১২ দিনের মধ্যে এটি দুধের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় অভিযান। জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow