পাবনা পুলিশ লাইনস স্কুলে ছাত্রের মাথায় খুলে পড়লো ফ্যান

পাবনা পুলিশ লাইনস স্কুলে ক্লাস চলাকালে ফ্যান খুলে মাথায় পড়ে এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে দশটার দিকে পঞ্চম শ্রেণিতে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থী পাবনা পৌর সদরের অনন্ত এলাকার ফজলুল হকের ছেলে তামজিদ (১০)। সে ওই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। স্কুল সূত্রে জানা গেছে, টিফিন শেষে ক্লাস শুরু হয় সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। ক্লাস চলাকালীন ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে স্কুলের দ্বিতীয়তলার ৪০৩ নম্বর রুমে পঞ্চম শ্রেণির ফ্যানটি হঠাৎ খুলে শিক্ষার্থী তামজিদের মাথার ওপর পড়ে। এতে তার মাথা ফেটে গুরুতর আহত হয়। পরে স্কুলের শিক্ষকরা দ্রুত তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পাবনা পুলিশ লাইনস স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহবুব আলম দুর্ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা শিশুটিকে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র ও ওষুধসহ অভিভাবককে ডেকে এনে বুঝিয়ে দিয়েছি। তার আঘাত খুব গুরুতর নয়। যেহেতু দুর্ঘটনা, সে কারণে তার বাবার কোনো অভিযোগ নেই। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, আমরা সবসময় স্কুলের বৈদ্যুতিক জিনিসগুলো চেক করি। এখন একট

পাবনা পুলিশ লাইনস স্কুলে ছাত্রের মাথায় খুলে পড়লো ফ্যান

পাবনা পুলিশ লাইনস স্কুলে ক্লাস চলাকালে ফ্যান খুলে মাথায় পড়ে এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে দশটার দিকে পঞ্চম শ্রেণিতে এ ঘটনা ঘটে।

আহত শিক্ষার্থী পাবনা পৌর সদরের অনন্ত এলাকার ফজলুল হকের ছেলে তামজিদ (১০)। সে ওই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।

স্কুল সূত্রে জানা গেছে, টিফিন শেষে ক্লাস শুরু হয় সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। ক্লাস চলাকালীন ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে স্কুলের দ্বিতীয়তলার ৪০৩ নম্বর রুমে পঞ্চম শ্রেণির ফ্যানটি হঠাৎ খুলে শিক্ষার্থী তামজিদের মাথার ওপর পড়ে। এতে তার মাথা ফেটে গুরুতর আহত হয়। পরে স্কুলের শিক্ষকরা দ্রুত তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পাবনা পুলিশ লাইনস স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহবুব আলম দুর্ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা শিশুটিকে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র ও ওষুধসহ অভিভাবককে ডেকে এনে বুঝিয়ে দিয়েছি। তার আঘাত খুব গুরুতর নয়। যেহেতু দুর্ঘটনা, সে কারণে তার বাবার কোনো অভিযোগ নেই।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, আমরা সবসময় স্কুলের বৈদ্যুতিক জিনিসগুলো চেক করি। এখন একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেছে, তাই পুনরায় সকল ফ্যান চেক করা হবে এবং ভেঙে যাওয়া ফ্যানের পরিবর্তে নতুন ফ্যান স্থাপন করা হবে।

আলমগীর হোসাইন নাবিল/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow