পাহাড় ধসে গভীর ঘুমে থাকা কিশোর-কিশোরীর মৃত্যু

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের পহরচাঁদা-মছইন্যাকাটা এলাকায় টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে গভীর ঘুমে থাকা এক কিশোর ও এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত আনুমানিক ২টার দিকে বসতঘরের ওপর পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পড়লে তারা মাটিচাপা পড়েন। এ ঘটনায় তাদের মা আহত হয়েছেন এবং দুটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত আনুমানিক ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো একই এলাকার মৃত মো. কাজলের মেয়ে রুমি (১৪) এবং আবদুল মজিদের ছেলে মো. তৌওছিফ (১২)। আহত হয়েছেন রুমির মা লাইলা বেগম (৫৫)। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিল। এ সময় প্রবল বৃষ্টির মধ্যে পাহাড়ের একটি বিশাল অংশ ধসে সরাসরি তাদের বসতঘরের ওপর পড়ে। মুহূর্তেই ঘরের ভেতরে থাকা তিনজন মাটিচাপা পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করেন। দীর্ঘ চেষ্টার পর লাইলা বেগমকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও রুমি ও তৌওছিফ মাটির গভীরে চাপা পড়ে থাকায় তাদের জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্ব

পাহাড় ধসে গভীর ঘুমে থাকা কিশোর-কিশোরীর মৃত্যু

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের পহরচাঁদা-মছইন্যাকাটা এলাকায় টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে গভীর ঘুমে থাকা এক কিশোর ও এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত আনুমানিক ২টার দিকে বসতঘরের ওপর পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পড়লে তারা মাটিচাপা পড়েন। এ ঘটনায় তাদের মা আহত হয়েছেন এবং দুটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত আনুমানিক ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো একই এলাকার মৃত মো. কাজলের মেয়ে রুমি (১৪) এবং আবদুল মজিদের ছেলে মো. তৌওছিফ (১২)। আহত হয়েছেন রুমির মা লাইলা বেগম (৫৫)।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিল। এ সময় প্রবল বৃষ্টির মধ্যে পাহাড়ের একটি বিশাল অংশ ধসে সরাসরি তাদের বসতঘরের ওপর পড়ে। মুহূর্তেই ঘরের ভেতরে থাকা তিনজন মাটিচাপা পড়ে।

ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করেন। দীর্ঘ চেষ্টার পর লাইলা বেগমকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও রুমি ও তৌওছিফ মাটির গভীরে চাপা পড়ে থাকায় তাদের জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। প্রতিবেশীরা জানান, টানা বৃষ্টিতে পাহাড়টি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। তবে সেখানে বসবাসকারী পরিবারের অন্যত্র যাওয়ার সুযোগ ছিল না।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন দেলোয়ার ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তারা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং দুর্গত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

এদিকে টানা বর্ষণের কারণে কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড়ধসের আশঙ্কা বেড়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবকদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে অতি প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ঘেঁষা এলাকায় অবস্থান না করার এবং ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকলে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow